বুধবার নরসিংদীর অতিরিক্ত অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক শামীমা পারভীন এ রায় দেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০১৪ সালের ২ আগস্ট বিকেলে পলাশ উপজেলার গজারিয়া গ্রামের মো. ইসমাইল হোসেন ভূঁইয়ার মেয়ে সুমাইয়া আক্তার মিম বাড়ির পাশে বন্ধুদের সঙ্গে খেলা করছিল। এ সময় একই গ্রামের আব্দুল হাই ভূঁইয়ার ছেলে তানভীর আহমেদ পাভেল সুমাইয়া আক্তারকে জোরপূর্বক উঠিয়ে নিয়ে যায়।
.png)
পরে তার কানে থাকা দুটি স্বর্ণের দুল খুলে নিয়ে যাওয়ার সময় সুমাইয়া তার মাকে বলে দেবে বলে জানায়। এ সময় তানভীর তাকে গলাটিপে হত্যা করে নির্মাণাধীন বাথরুমে ফেলে রাখে। পরদিন খোঁজাখুঁজি করে সুমাইয়ার লাশ পায় পরিবার। পরে পলাশ থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
নিহতের বাবা ইসমাইল হোসেন ভূঁইয়া বাদী হয়ে পলাশ থানায় একটি হত্যা মামলা করে। মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা আসামির বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। মামলায় ১১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আসামির দোষ প্রমাণিত হওয়ায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন আদালত।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আব্দুল হান্নান ভূঁইয়া বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, একটি অবুঝ শিশুকে হত্যার ঘটনায় মামলা দায়েরের পর থেকে দীর্ঘ তদন্ত শেষে বিজ্ঞ আদালত প্রকৃত আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করে রায় দেওয়ায় আমরা সন্তুষ্ট।