এ ঘটনায় গুলি টেকনাফ স্থলবন্দরের একটি পণ্যবাহী ট্রাক ও স্থানীয় এক ব্যক্তির বসতঘরে লাগে।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বন্দর কর্তৃপক্ষ এবং স্থানীয়রা এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
.png)
জানা গেছে, লালদিয়া চরে অবস্থানরত রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আরএসওকে হটিয়ে আরাকান আর্মি চরটির নিয়ন্ত্রণ নিতে চায়। এ নিয়ে গত ১১ সেপ্টেম্বর একবার গোলাগুলি হওয়ার পর দ্বিতীয় দফায় বুধবার আবারো সংঘাত চলে।
স্থলবন্দর পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ইউনাইটেড ল্যান্ড পোর্ট লিমিটেড টেকনাফের ম্যানেজার সৈয়দ মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন বলেন, দুপুরে কার্যালয়ে অবস্থান করার সময় গোলাগুলির শব্দ শুনতে পাই। তিনি আরো বলেন, এর আগে গত বুধবার-বৃহস্পতিবারও গোলাগুলির শব্দ শোনা গেছে। এতে সবাই আতঙ্কের মধ্যে রয়েছি। বন্দরের কার্যক্রম বন্ধ আছে।
লালদিয়া নামক স্থানে মায়ানমারের বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি এবং রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশন (আরএসও) মধ্যে এই গোলাগুলি হয়েছে বলে জানিয়েছেন টেকনাফ সদর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওযার্ডের ইউপি সদস্য নজির আহমদ।
তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আরএসও লালদিয়ায় অবস্থান করে আসছিল। তাদেরকে লালদিয়া ছেড়ে চলে যেতে সময় বেঁধে দেওয়া হয়। কিন্তু আরএসও লালদিয়ার নিয়ন্ত্রণ ছেড়ে না দেওয়ায় মায়ানমারের বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি হামলা করেছে।
এতে উভয়পক্ষে গোলাগুলিতে হতাহতের খবর পাওয়া যাচ্ছে। এর কারণে টেকনাফ সীমান্তের স্থলবন্দর সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দারা আতঙ্কে রয়েছেন।
টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আদনান চৌধুরী বলেন, বুধবার দুপুর ১২টার দিকে মায়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সরকারি বাহিনীর সঙ্গে বিদ্রোহী গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘাতের জেরে ছোঁড়া কয়েকটি গুলি টেকনাফ স্থলবন্দরের ভবনে আঘাত হানে। এতে ভবনটির দরজা-জানালার কাঁচ ভেঙেছে। তবে এতে কেউ হতাহত হননি। স্থানীয়দের কাছে থেকে ঘটনাটি শোনার পর বিজিবি ও কোস্টগার্ডসহ প্রশাসনের সংশ্লিষ্টদের বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে বলে ইউএনও জানান।