ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]
মিরদী ফাজিল মাদরাসা 

ভুয়া কাগজপত্র ও তথ্য গোপন করে অধ্যক্ষ পদে নিয়োগ 

পাকুন্দিয়া (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ০১:৩১, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪
ভুয়া কাগজপত্র ও তথ্য গোপন করে অধ্যক্ষ পদে নিয়োগ 
মিরদী ফাজিল মাদরাসা ও অধ্যক্ষ মো. শহিদুল্লাহ। ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় ভুয়া কাগজপত্র প্রদর্শন ও তথ্য গোপন করে মো. শহিদুল্লাহ নামে এক ব্যক্তি মিরদী ফাজিল মাদরাসায় অধ্যক্ষ পদে নিয়োগ পেয়েছেন মর্মে অভিযোগ উঠেছে।

গত ২২ আগস্ট অত্র মাদরাসার বিদ্যুৎসাহী সদস্য মো. রফিকুল ইসলাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ করেন। এর প্রেক্ষিতে তদন্ত করে সত্যতা পাওয়ায় ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রশাসকের কাছে প্রতিবেদন পাঠিয়েছেন পাকুন্দিয়ার ইউএনও মো.বিল্লাল হোসেন। 

অভিযুক্ত মো. শহিদুল্লাহ পার্শ্ববর্তী কাপাসিয়া উপজেলার বেলাশী গ্রামের মো.আবু তাহের এর ছেলে। তিনি গত বছরের ৯ সেপ্টেম্বর পাকুন্দিয়া উপজেলার মিরদী ফাজিল মাদরাসায় অধ্যক্ষ পদে যোগদান করেন। 

Advertisement

জানা গেছে, ২০২৩ সালের ৫মার্চ জাতীয় ও স্থানীয় দৈনিকে উপজেলার মিরদী ফাজিল মাদরাসার অধ্যক্ষ পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। এর প্রেক্ষিতে ওই বছরের ৯ সেপ্টেম্বর মো. শহিদুল্লাহ অধ্যক্ষ পদে নিয়োগ পান। এরপরই তার নিয়োগের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠে। 

অভিযোগ উঠে, সর্বশেষ কর্মরত প্রতিষ্ঠানের ভুয়া প্রত্যয়নপত্র এবং সেই প্রতিষ্ঠানে উপাধ্যক্ষ পদে বরখাস্ত হওয়ার তথ্যটি গোপন করে মো.শহিদুল্লাহ মিরদী ফাজিল মাদরাসায় অধ্যক্ষ পদের লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন এবং নিয়োগপ্রাপ্ত হন। যা নিয়ম বহির্ভূত। 

এর প্রেক্ষিতে চলতি বছরের ২২আগস্ট মিরদী ফাজিল মাদরাসার বিদ্যুৎসাহী সদস্য মো.রফিকুল ইসলাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে একটি লিখিত অভিযোগ করেন। পরবর্তীতে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ নুরে আলমকে প্রধান করে তিন সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করেন ইউএনও। সঠিক তথ্য-উপাত্তের মাধ্যমে কমিটিকে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। 

গত ১১ সেপ্টেম্বর ওই কমিটি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। এতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই-বাছাইয়ে অধ্যক্ষ পদে মো.শহিদুল্লার নিয়োগ বৈধ নয় প্রতীয়মান হয়।

এ বিষয়ে জানতে মিরদী ফাজিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মো. শহিদুল্লাহর সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি তার সকল কাগজপত্র সঠিক বলে দাবি করেন। 

পাকুন্দিয়ার ইউএনও মো. বিল্লাল হোসেন বলেন, ওই মাদরাসার বিদ্যুৎসাহী সদস্যের আবেদনের প্রেক্ষিতে তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত কমিটি সঠিক তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে প্রতিবেদন দাখিল করলে প্রতিবেদনের আলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রশাসকের কাছে পাঠানো হয়েছে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমকে
ট্যাগ: কিশোরগঞ্জ
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!