মৃতরা হলেন- একই গ্রামের নবাব উদ্দিন খানের স্ত্রী আরজিনা খাতুন (৪২) ও মেয়ে আরশা খাতুন (১২)।
স্থানীয়রা জানান, বিকেলে বৃষ্টি হচ্ছিল। এ সময় আরশা খাতুন বাড়িতে টিনের তৈরি গোয়ালঘরের নিচে পানিতে গোসল করেন। গোসল শেষে ওই গোয়ালঘরে উঠতে গেলে লোহার দরজার সঙ্গে লেগে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। এ সময় মেয়েকে বাঁচাতে মা আরজিনা খাতুন এগিয়ে গেলে মেয়েসহ তিনিও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান তারা।
.png)
আরজিনা খাতুনের স্বামী নবাব উদ্দিন খান বলেন, গোয়ালঘরের বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে পুরো ঘর বিদ্যুতায়িত হয়েছিল। মেয়ে বুঝতে না পেরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়। পরে তাকে বাঁচাতে গিয়ে তার স্ত্রীও বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মারা যান।
তিনি আরো বলেন, অনেক স্বপ্ন নিয়ে মেয়েকে মাদরাসায় পড়াচ্ছিলাম। মেয়ে আমার খুব মেধাবী ছিল। কিন্তু আমার সব স্বপ্ন ভেঙে চুরমার হয়ে গেল। আমি একা হয়ে গেলাম।
আতাইকুলা থানার ওসি হাবিবুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি মর্মান্তিক। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তবে এ ঘটনায় পরিবার কোনো অভিযোগ করেনি।