কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, ইলিশের প্রথম চালানের রফতানিকারক সাজ্জাদ এন্টারপ্রাইজ এবং বন্দর থেকে ইলিশ ছাড়করণে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ছিল বাংলাদেশ লজিস্টিক। কলকাতার ভারতীয় মাছ আমদানিকারকদের সংগঠন ফিশ ইম্পোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফআইএ) পক্ষ থেকে গত ৯ সেপ্টেম্বর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেনের কাছে দুর্গাপূজা উপলক্ষে বাংলাদেশ থেকে ইলিশ রফতানির অনুমোদনের বিষয়টি বিবেচনার অনুরোধ জানানো হয়। বিশেষ বিবেচনায় সরকার প্রথমে ৩ হাজার টন ইলিশ রফতানির অনুমতি দেয়। পরে তা কমিয়ে ২ হাজার ৪২০ টন নির্ধারণ করা হয়।
বেনাপোল স্থল বন্দরের ফিশারিজ কোয়ারেন্টাইন অফিসার মাহবুবুর রহমান বলেন, আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে ভারতীয় ব্যবসায়ীদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ৪৯টি প্রতিষ্ঠানকে ২ হাজার ৪২০ টন ইলিশ মাছ রফতানির অনুমতি দিয়েছে। সেই পরিপ্রেক্ষিতে আজ বেনাপোল স্থলবন্দরের মাধ্যমে ১২ টন ইলিশ ভারতের রফতানি করার জন্য আমরা অনুমতি দিয়েছি।
.png)
অনুমোদন পাওয়া ৪৮টি প্রতিষ্ঠান ৫০ টন করে ২ হাজার ৪০০ টন, আর একটি প্রতিষ্ঠান ২০ টন ইলিশ রফতানি করবে।