শুক্রবার সকাল থেকে জেলা প্রশাসনের আয়োজনসহ বর্ণিল সাজে র্যালি বের করে বিভিন্ন পর্যটক বান্ধব সংগঠন। পরে শুরু হয় ঘণ্টাব্যাপী বিচ ক্লিনিং কর্মসূচি। তবে দুপুরে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী সাঁতার ও হাঁস ধরা প্রতিযোগীতায় বিনোদনপ্রেমী মানুষের উপস্থিততি ছিল চোখে পড়ার মতো। পরে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
ঐ দিন বিকেলে সৈকতের প্রবেশ পথে সড়কে দাঁড়িয়ে অতিথিদের ফুলেল শুভেচ্ছা দিয়ে বরণ করেন কুয়াকাটা এ্যামপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশন নামে একটি সংগঠনের সদস্যরা। এ সময় ট্যুরিস্ট পুলিশ সদস্যরাও সেখানে অংশগ্রহণ করেন। এতে ভ্রমণপিপাসুদের হৃদয় খুশিতে দোলা দিয়ে ওঠে।
.png)
ঢাকা থেকে আগত পর্যটক মাহামুদ-রিপা দম্পতি বলেন, আমরা গতকাল এসেছি। এবারের পর্যটন দিবসে ভিন্নতা রয়েছে। বিশেষ করে গ্রাম বাংলার সাঁতার ও হাঁস ধরা প্রতিযোগীতা দেখে খুবই আনন্দ করেছি। তবে বিকেলে সৈকতে যাওয়ার সময় ফুল শুভেচ্ছা পেয়ে আমরা শিহরিত হয়েছি।
বরিশাল থেকে আগত কলেজ শিক্ষার্থী আজমেরী বলেন, জাস্ট ওয়াও, আজকের সুন্দর মুহূর্তগুলো স্মৃতির পাতায় থাকবে। আমরা অনেকেই এক সঙ্গে আছি, খুবই ভালো লেগেছে। তবে আমরা চাই আজ একদিনই নয়, সব সময়ই যেন পর্যটকদের এভাবেই রিসিভ করা হয়। তাহলে আরো বেশি বেশি মানুষ কুয়াকাটায় আসবে।
কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল এ্যামপ্লয়িজ এসোসিয়েশন’র সভাপতি ইব্রাহিম ওয়াহিদ জানান, পর্যটন দিবসে এই প্রথম বারের মতো পর্যটকদের ফুলেল শুভেচ্ছা দেওয়া হয়েছে। আমাদের বিভিন্ন প্রোগ্রাম ছিল। আমরা পর্যটকদের জন্য সেবার মান বাড়াতে বদ্ধপরিকর। চেষ্টা থাকবে তাদের জন্য সব সময়ে ভালো কিছু করার।