সোমবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রংপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে রংপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ ও ২ এর সদর দফতর এবং জোনাল অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশ নেন।
এ সময় বক্তারা বলেন, নানাভাবে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের হয়রানি করছে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড। সরকারি আইন অনুযায়ী বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড ও পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির চাকরিবিধি একই রকম হওয়ার কথা। কিন্তু পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড সেটি বাস্তবায়ন করছে না। দেশের ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি আলাদা চাকরিবিধিমালায় পরিচালিত হচ্ছে। এই বৈষম্য মেনে নেয়া যায় না। এছাড়াও বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড নিম্নমানের মালামাল ক্রয় করে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিতে সরবরাহ করে। সেগুলো নিয়ে গ্রাহক প্রান্তেও রয়েছে অসন্তোষ।
.png)
বক্তারা আরো বলেন, একইসঙ্গে অনিয়মিত অনেক চাকরিজীবী রয়েছেন পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিতে। চুক্তিভিত্তিক হিসেবে তারাও বছরের পর বছর ধরে বৈষম্যের শিকার হয়ে চলেছেন। তাদের স্থায়ী করা হচ্ছে না। এই দ্বৈতনীতি নিয়ে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কার্যক্রম চলতে পারে না। তাই অবিলম্বে দ্বৈতনীতি পরিহার করে চাকরিবিধি বাস্তবায়ন এবং অনিয়মিত সবাইকে নিয়মিত করতে হবে।
কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন, মো. নাঈম হোসেন, এজিএম (ওএন্ডএম), রংপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২, মো. এমরুল হাসান মাসুদ, এজিএম (প্রশাসন), রংপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১, মো. মাসুদুর রহমান, এজিএম (ওএন্ডএম), রংপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১, মো. আশরাফ আলী, মিটার রিডার, রংপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ প্রমুখ।
মানববন্ধন শেষে মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা বরাবর প্রেরিত একটি স্মারকলিপি রংপুর জেলা প্রশাসকের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
সারাদিন অনুরূপ কর্মসূচি পঞ্চগড়ে, ঠাকুরগাঁওয়ে, দিনাজপুরে, নীলফামারীতে, লালমনিরহাটে ও কুড়িগ্রামও যৌথভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।