জানা গেছে, ঝিনাইগাতী ও নালিতাবাড়ীর ওপর দিয়ে যাওয়া মহারশি ও ভোগাই নদীর অন্তত ১০ জায়গায় বাঁধ ভেঙে গেছে। প্লাবিত হয়েছে গ্রামের পর গ্রাম। তলিয়ে গেছে গ্রামের রাস্তাঘাট ও আবাদি জমি। সবমিলিয়ে বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। এসব অঞ্চলে পানিবন্দি রয়েছে প্রায় এক লাখের মতো মানুষ। নকলা ও শেরপুর সদর উপজেলায় প্লাবিত হওয়ায় দুই উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আশ্রয়কেন্দ্র খুলে দেওয়া হয়েছে।
এদিকে, বরাবরের মতো বন্যাকবলিত মানুষের দাঁড়াচ্ছে আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন। শেরপুরে শনিবার (৫ অক্টোবর) রাতেই আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের জরুরি ত্রাণ সামগ্রী পাঠানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ।
.png)
সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে শায়খ আহমাদুল্লাহ তার ফেসবুক পেজে লিখেছেন, ‘শেরপুরে বন্যা পরিস্থিতি চরম ভয়াবহ। আজ রাতেই যাচ্ছে আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের জরুরি ত্রাণ সামগ্রী। এদিকে লালমনিরহাট ও নীলফামারীতে গত কয়েকদিন যাবৎ ত্রাণ বিতরণ চলমান আছে। আর ফেনী, কুমিল্লা, নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুরে চলছে পুনর্বাসনের কাজ।’
এর আগে, গত আগস্টে ফেনী, কুমিল্লা, নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুরের ভয়াবহ বন্যায় অসহায় মানুষকে উদ্ধার ও বন্যাকবলিতদের জন্য ত্রাণ সংগ্রহ করে ব্যাপক প্রশংসা পায় প্রতিষ্ঠানটি।