শনিবার লোহাগড়ার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, লোহাগড়া বাজার, লক্ষ্মীপাশা বাজার, এডেন্দা বাজার, দিঘলিয়া বাজার, মানিকগঞ্জ বাজার, লাহুড়িয়া বাজারসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বাজার করতে আসা ক্রেতারা নিত্যপণ্য কিনতেই হিমশিম খাচ্ছেন। সব ধরনের পণ্য বাড়তি দামে কিনতে হচ্ছে।
দেখা যায়, কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৪০০ টাকা কেজি দরে, পেঁয়াজ ১১০ টাকা, রসুন ২১০ টাকা, বেগুন ১৬০ টাকা, ফুলকপি ১৩০ টাকা, করলা ১০০ টাকা, বরবটি শিম ১০০ টাকা, কচুরমুখী ৬০ টাকা, পেঁপে ৩০ টাকা, শসা ৭০ টাকা, আলু ৬০ টাকা, লাউ প্রতি পিস ৫০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আটা প্রতি কেজি ৫০ টাকা, চিনি ১২০ টাকা, জিরা ৭২০ টাকা, মসুরি ডাল ১১০ টাকা, মটরের ডাল ১৪০ টাকা, চাল ৫০ থেকে ৮০ টাকা, সরিষার তেল প্রতি কেজি ২০০ টাকা, সয়াবিন তেল প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৭০ টাকায়।
.png)
নিত্য প্রয়োজনীয় এসব পণ্যের দাম বাড়ায় নাভিশ্বাস উঠেছে মধ্য ও নিম্নবিত্ত শ্রেণির মানুষের মাঝে। দিনমজুরেরা আরো বেশি বিপাকে পড়েছেন। জীবনের চাহিদা পূরণ করতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে তাদের।
কথা হয় উপজেলার কাউড়িখোলা গ্রামের বিপুল গাইনের সঙ্গে। তিনি বলেন, যেভাবে জিনিসপত্রের দাম বাড়ছে। এমন চলতে থাকলে দুদিন পরে আমাদের পথে বসতে হবে।
লোহাগড়া বাজারের সবজি ব্যবসায়ী সুজন বলেন, এবার বাজারের সব পণ্যের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। বৃষ্টির কারণে ফসলের ক্ষতি হয়েছে। এ কারণে চালসহ বিভিন্ন পণ্যের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। বাজারে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ অনেক কম। এ কারণে কাঁচা সবজির দাম চড়া।
মুরগি বিক্রেতা মো. কামাল হোসেন ও সবুজ খান জানান, বয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৯০ টাকা, দেশি মুরগি ৫৮০ টাকা, লেয়ার মুরগি ৩২০ টাকা, সোনালি মুরগি ২৮০ থেকে ৩০০ টাকা প্রতি কেজি, গরুর মাংস প্রতি কেজি ৭০০ টাকা, খাসির মাংস ১ হাজার থেকে ১ হাজার ১০০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। এছাড়াও ফার্মের মুরগির ডিম প্রতি হালি ৬০ টাকা, দেশি মুরগির ডিম ৮০ টাকা, হাঁসের ডিম৭০ থেকে ৭৫ টাকা হালি বিক্রি হচ্ছে।
লোহাগড়া বাজারের মাছ বিক্রেতা নেপাল বিশ্বাস জানান, সিলভার কার্প প্রতি কেজি ১৬০ থেকে ২০০ টাকা, মাঝারি রুই ৩০০ থেকে ৬০০ টাকা, পাঙ্গাশ ১৮০ থেকে ২০০ টাকা, বড়চিংড়ি ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকা, কাতল ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা, শিং মাছ ৯০০ থেকে ১ হাজার টাকা, কই মাছ ২০০ টাকা, বড় ইলিশ ১ হাজার ৮০০ টাকা থেকে ২ হাজার টাকা, ছোট ইলিশ ৫৫০ থেকে ৬০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।