প্রতিবেশী জাকির হোনেন জানান, কুটি মিয়া প্রতিদিনের মতো রাতের খাবার খেয়ে বিছানায় ঘুমিয়ে পড়েন। রাত ৩টার দিকে কুটি মিয়ার ঘাড়ে বিষধর সাপে ছোবল দেয়। ইঁদুরের কামড় মনে করে তিনি গুরুত্ব দেননি। কিছুক্ষণ পর যন্ত্রনা শুরু হলে বিছানায় সাপ দেখতে পান। তখন পরিবারের সদস্যদের জানানোর পর সাপটিকে পিটিয়ে মেরে ফেলেন। পরে অসুস্থ কুটি মিয়াকে এলাকার এক ওঝার (কবিরাজ) কাছে নেয়া হয়। ওঝা ঝাড়ফুঁক দিলেও অবস্থার কোনো উন্নতি না হওয়ায় পর্যাক্রমে আশপাশ এলাকার আরো দুজন ওঝার (কবিরাজ) কাছে নেয়া হয়। এভাবে কয়েক ঘণ্টা ওঝার কাছে নিয়ে ঝাড়ফুঁক করায় অবস্থার আরো অবনতি হতে থাকে। এক পর্যায়ে আশঙ্কাজনক অবস্থায় শনিবার সকালে তাকে চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাপসাতালের উদ্দেশ্যে রওনা দেন পরিবারের সদস্যরা। সকাল সাড়ে ৯টার দিকে হাসপাতালে যাওয়ার পথে তিনি মারা যান।
লাহুড়িয়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মুন্সী মঞ্জির রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
.png)