মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) রাতে চান্দগাঁও থানায় মামলাটি করেন নিহত তাহসিনের বাবা মোহাম্মদ মুছা। মামলার অন্য আসামিরা হলেন- সাজ্জাদের সহযোগী হাসান, মোহাম্মদ, খোরশেদ ও হেলাল।
নগর পুলিশের এডিসি (জনসংযোগ) কাজী মোহাম্মদ তারেক আজিজ বলেন, আফতাব উদ্দিন তাহসিন নিহতের ঘটনায় তার পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করা হয়েছে। ঘটনায় ব্যবহৃত গাড়িটি শনাক্ত করেছে পুলিশ। চালক ও জড়িত অন্যদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
.png)
এ হত্যা মামলার প্রধান আসামি সাজ্জাদ হোসেন হাটহাজারী উপজেলার শিকারপুর এলাকার মোহাম্মদ জামালের ছেলে। তিনি বিদেশে পলাতক ‘শিবির ক্যাডার’ হিসেবে পরিচিত সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী খানের সহযোগী। তার বিরুদ্ধে হত্যা, অস্ত্র, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অভিযোগে অন্তত ১০টি মামলা রয়েছে।
গত ১৭ জুলাই অস্ত্রসহ সাজ্জাদকে গ্রেফতার করে চান্দগাঁও থানা পুলিশ। পরের মাসে তিনি জামিনে বেরিয়ে আসেন।
অন্যদিকে, নিহত আফতাব উদ্দিন তাহসিন ইট-বালুর ব্যবসার করতেন। তিনিও ‘শিবির ক্যাডার’ হিসেবে পরিচিত সরোয়ার হোসেনের অনুসারী ছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘটনার দিন সোমবার (২১ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে সন্ত্রাসী সাজ্জাদ হোসেন তার সহযোগীদের নিয়ে মাইক্রোবাসে এসে তাহসিনকে গুলি করে চলে যান। ঐ সময় আশপাশে অনেকে থাকলেও ভয়ে কেউ এগিয়ে আসেননি।
মামলার বাদী ও নিহত তাহসিনের বাবা মোহাম্মদ মুসা বলেন, আমার ছেলেকে মেরে ফেলার হুমকি দিয়েছিলেন সাজ্জাদ। এ ঘটনায় দুই মাস আগে চান্দগাঁও থানায় জিডিও করা হয়। কিন্তু পুলিশ কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। ঐ সময় পুলিশ সাজ্জাদকে গ্রেফতার করলে আজ তারা আমার ছেলেকে গুলি করে মারতে পারতো না।