বিক্ষোভরত শ্রমিকরা জানান, কিছুদিন আগে কোনো পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই কারখানা কর্তৃপক্ষ তাদের ছাঁটাই করে। এতে তাদের পরিবারগুলো চরম আর্থিক সংকটে পড়েছে। শ্রমিকদের অভিযোগ, ছাঁটাই প্রক্রিয়া অন্যায় এবং শ্রম আইন লঙ্ঘন করে পরিচালিত হয়েছে। তারা অবিলম্বে পুনর্নিয়োগের দাবি জানান এবং এ বিষয়ে স্লোগান দিতে থাকেন।
এ বিষয়ে রেজাউল অ্যাপারেলস লিমিটেডের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ব্যবসায়িক সংকটের কারণে শ্রমিক ছাঁটাই করা হয়েছে। তবে, এ প্রক্রিয়া শ্রম আইন মেনেই সম্পন্ন হয়েছে।
.png)
বিক্ষোভের খবর পেয়ে গাজীপুর শিল্প পুলিশ-২ এর কোনাবাড়ি জোনের পুলিশ পরিদর্শক মোর্শেদ জামান ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন।
তিনি জানান, সকাল থেকেই ছাঁটাইকৃত শ্রমিকরা কারখানার মূল ফটকের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করছিল। আমরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলেছি এবং কারখানা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেছি। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
এদিকে, এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে শ্রমিক সংগঠনগুলো কারখানাগুলোর ওপর নিয়মিত নজরদারির দাবি জানিয়েছে। তারা বলছেন, শ্রমিকদের সঙ্গে এ ধরনের আচরণ বন্ধ করতে সরকারকে আরো কঠোর হতে হবে এবং শ্রমিক অধিকার সুরক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
দুপুর পর্যন্ত ছাঁটাইকৃত শ্রমিকদের পুনর্বহালের বিষয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট সমাধান না হওয়ায় শ্রমিকদের মধ্যে চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে।
এ ঘটনায় এলাকায় শ্রমিক-মালিক সম্পর্ক এবং শিল্প এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে আরো উদ্যোগ নেয়ার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।