রোববার (৮ ডিসেম্বর) দুপুরে এ ঘটনা জানাজানি হলে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন কার্যালয় ঘেরাও করেন বিক্ষোভকারীরা। এ সময় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান তারা।
স্থানীয় মুসল্লি আব্দুর রহমান বলেন, আজান মুসলমানদের ইমানি বিষয়। এটি নিয়ে কথা বলার অধিকার কারো নেই। সচিব ও তার স্বামী যা করেছেন, তা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত।
.png)
আরেক মুসল্লি রফিকুল ইসলাম বলেন, আমরা এ ঘটনার সঠিক বিচার চাই। যদি কোনো ব্যবস্থা না নেয়া হয়, তবে আমরা আমাদের প্রতিবাদ চালিয়ে যাব। এই অন্যায়ের বিচার না হলে পরিস্থিতি আরো গুরুতর হবে।
বিক্ষোভ চলাকালে সিটি কর্পোরেশনের প্রধান ফটকের সামনে কয়েক ঘণ্টা অবস্থান করে তৌহিদী জনতা। এ সময় তারা স্লোগান দেন এবং অভিযুক্তদের পদত্যাগ ও শাস্তি দাবি করেন।
গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের একটি সূত্র জানায়, অভিযোগের বিষয়ে দ্রুত তদন্ত শুরু করা হবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এদিকে, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে পুরো এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয়রা বলছেন, এ ঘটনা সমাধান না হলে আরো বড় সংকট দেখা দিতে পারে।