ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

সন্তানকে নিয়ে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ: প্রাণ গেল দুজনেরই

শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১২:৫৭, ৯ ডিসেম্বর ২০২৪
সন্তানকে নিয়ে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ: প্রাণ গেল দুজনেরই
ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

গাজীপুরের শ্রীপুরে পারিবারিক কলহের জেরে সন্তানকে নিয়ে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন নাসরিন আক্তার নামে এক গৃহবধূ। আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে নেয়ার পথে মারা যায় শিশুটিও।

সোমবার (৯ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার সাতখামাইর রেলওয়ে স্টেশন প্ল্যাটফর্মের উত্তর পাশে এ ঘটনা ঘটে। নিহত নাসরিন আক্তার ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার পাগলা থানার টাঙ্গাব গ্রামের মো. রাসেল মিয়ার স্ত্রী। নিহত এক বছরের শিশু রওজাতুল জান্নাত রাফসা রাসেল মিয়ার মেয়ে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল থেকেই নাসরিন আক্তার তার শিশুকন্যাসহ সাতখামাইর আমতলা এলাকায় রেললাইনের পাশে বসা ছিলেন। মোবাইলে দীর্ঘ সময় কথা বলে কারো সঙ্গে ঝগড়া করেন। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ময়মনসিংহগামী মহুয়া এক্সপ্রেস ট্রেন সাতখামাইর স্টেশনে আসার পূর্ব মুহূর্তে তিনি শিশুসহ ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দেন। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান নাসরীন। আহত শিশুকে উদ্ধার করে প্রথমে শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। ততক্ষণে আহত শিশুর বাবা রাসেল ও চাচা সাগর হাসপাতালে চলে আসেন। পরে অ্যাম্বুলেন্সে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথেই মারা যায় শিশু রাফসাও। 

Advertisement

নিহতের স্বামী মো. রাসেল মিয়া বলেন, আমি স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলায় ভাড়া থেকে স্থানীয় একটি কারখানায় চাকরি করি। তিন দিন ধরে আমি কর্মস্থলে যাইনি। এ নিয়ে আমাদের মধ্যে পারিবারিক কলহের সৃষ্টি হয়। সামান্য ঝগড়াঝাটি হয়। সকালে আমি ঘুমিয়েছিলাম। ঘুম থেকে ওঠে এ ঘটনা শুনে হাসপাতালে চলে আসি। পরে শিশুকন্যা রাফসাকে নিয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যাওয়ার পথে মারা যায় সেও। 

শ্রীপুর থানার ওসি জয়নাল আবেদীন মণ্ডল বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এসআরএস
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!