মামলার বাদী আব্দুর রাজ্জাক সোনাতলা পৌরসভার বাসিন্দা। তিনি ডেইলি বাংলাদেশ পত্রিকায় উপজেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ ডিসেম্বর সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলম নান্নুকে দেখতে সোনাতলা থানা মসজিদের সামনের রাস্তার ওপর ভিড় করেন তার শুভাকাঙ্ক্ষী-জনতা। এ সময় তাদের ছবি তোলার জন্য মামলার বাদী আব্দুর রাজ্জাকের সহকর্মী সবুজ পকেট থেকে বের করে মোবাইল হাতে নেন। এমন সময় জনতার মধ্যে একজন ছবি তুলতে নিষেধ করেন। এ সময় সোনাতলা সিংগার শোরুমের ম্যানেজার সাংবাদিক শহিদুল ইসলাম শাহীন ছুটে এসে ধমক দিয়ে বলেন, এখানে কী হয়েছে?
.png)
সাংবাদিক আব্দুর রাজ্জাক বলেন, আমার সহকর্মী সবুজ ছবি তোলার জন্য মোবাইলের ক্যামেরা বের করেছে, তাই...। তখন তিনি ধমক দিয়ে বলেন, এখানে কোনো ছবি তোলা যাবে না। তখন সাংবাদিক আব্দুর রাজ্জাক সহকর্মী সবুজকে নিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করার সময় আসামিরা বেআইনিভাবে দলবদ্ধ হয়ে এগিয়ে এসে রাস্তা আটকায়। এ সময় আসামিরা ‘তুই নিউজ করছিস’ বলে পেছন থেকে তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। তারা সাংবাদিক আব্দুর রাজ্জাককে মারপিট করে মাটিতে ফেলে ব্যবহৃত ফোনটি ছিনিয়ে নেয়। একপর্যায়ে স্থানীয়রা রাজ্জাক ও সবুজকে প্রাণনাশের কবল থেকে রক্ষা করেন। এ সময় আসামিরা প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে চলে যায়। পরে তাদের উদ্ধার করে সোনাতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান স্থানীয় বাসিন্দারা।
মামলার বাদী আব্দুর রাজ্জাক বলেন, সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে আমরা হামলার শিকার হয়েছি। আমাদের মারধরের পাশাপাশি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়েছে। এখনো মোবাইল ফোন ফেরত দেয়নি। আমরা এর সঠিক বিচার চাই।
মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে সোনাতলা থানা ওসি মিলাদুন্নবী বলেন, চারজনকে আসামি করে মামলা হয়েছে। সবাই পলাতক আছে।