বৃষ্টির মতো ঝরছে কুয়াশা, শীতে বিপর্যস্ত জনজীবন
ভোর থেকে কুয়াশায় ঢাকা থাকছে রাজশাহী। ফলে হেডলাইট জ্বালিয়েও কচ্ছপ গতিতে চালাতে হচ্ছে যানবাহন। ঝিরঝির বৃষ্টির মতো রাতে পড়ছে কুয়াশা। ভিজছে রাস্তা-ঘাট। ঘাসের ডগায় জ্বলজ্বল করছে শিশির বিন্দু। এমন পরিস্থিতিতে শুক্রবার (১৩ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় জেলায় ৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অফিস। যা রাজশাহীতে মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা।
রাজশাহী আবহাওয়া অফিসের ইনচার্জ অহিদুল ইসলাম বলেন, রাজশাহী আবহাওয়া অফিসে এ বছর ৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা সর্বনিম্ন। এ ছাড়া সারাদেশের মধ্যে আজকে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায়। সকাল ৯টায় তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিসে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
এদিকে, শীতের প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ায় অ্যালার্জি, অ্যাজমা, হৃদরোগ, ডায়রিয়া, নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত রোগী বেড়েছে সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে। অপরদিকে, কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে রাজশাহীর আলু চাষিদের।
.png)
কৃষি তথ্য সূত্র জানায়, কুয়াশার কারণে ধানের চারা হলদে হয়ে যেতে পারে। সরিষায় বিভিন্ন পোকামাকড়ের আক্রমণ বেড়ে যেতে পারে। এ ছাড়া আলুর পাতায় মড়ক লাগার আশঙ্কা আছে। সাধারণত এ সময় আম গাছে মুকুল আসে। তাই ভালো ফলন পেতে বাড়তি যত্ন নিতে হবে। এসব বিষয়ে সমাধান পেতে নিকটস্থ কৃষি অফিসে যোগাযোগ করে সমাধান নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
রাজশাহী জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের পরিচালক উম্মে ছালমা বলেন, ঘন কুয়াশার কারণে বিভিন্ন রোগ-বালাইয়ের আক্রমণসহ নানা প্রতিবন্ধকতা তৈরি হচ্ছে। এভাবে বেশিদিন ঘন কুয়াশা থাকলে রবি ফসলের ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।