শুক্রবার (১৩ ডিসেম্বর) দুপুরে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উত্তর বিভাগের উপ-কমিশনার কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান উপ-পুলিশ কমিশনার রুনা লায়লা।
তিনি বলেন, ১২ ডিসেম্বর শ্রুতি রানী পাল নামে এক তরুণী ঢাকা মেট্রোপলিটন লালবাগ থানায় একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে অপহরণ, স্বর্ণালংকার, নগদ অর্থ আত্মসাতের ঘটনার একটি অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের বিষয়টি বিস্তারিত জানার পর লালবাগ থানার ওসি ভিকটিমের পরিবারকে বরিশাল মেট্রোপলিটন এয়ারপোর্ট থানায় পাঠান।
.png)
ভুক্তভোগী পরিবারের কাছ থেকে পুলিশ জানতে পারে প্রতারক নাফিজুর রহমান দেড়মাস আগে অনলাইন গেম ফ্রি ফায়ার খেলার মাধ্যমে শ্রুতি রানী পালের সঙ্গে পরিচয় হয়। এরপর সেখান থেকে শ্রুতির সঙ্গে নাফিজুরের গভীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরবর্তীতে প্রেমের ফাঁদে ফেলে গত ১০ ডিসেম্বর শ্রুতির কাছ থেকে ২১ ভরি ২ আনা স্বর্ণালংকার ও নগদ ৫৫ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায় নাফিজুর।
এছাড়া এর আগে নগদ ও বিকাশ একাউন্টের মাধ্যমে শ্রুতির কাছ থেকে আরো ৩৬ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয় প্রতারক নাফিজুর। পরে ভিকটিমর অভিযোগের ভিত্তিতে প্রাথমিক তদন্তে প্রযুক্তিগত সত্যতা পেলে লালবাগ থানা পুলিশ একটি মামলা দায়ের করেন এবং সেই মামলার কপি ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র বরিশাল এয়ারপার্ট থানায় পাঠান।
এয়ারপার্ট থানার ওসি (তদন্ত) সনজীত চন্দ্র নাথ রহমতপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রতারক চক্রের প্রধান সদস্য এয়ারপার্ট থানাধীন পশ্চিম পাংশা এলাকার মিজানুর রহমানর ছেলে নাফিজুর রহমান ও তার সহযোগী গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া থানার রাধাগঞ্জ এলাকার শামিউল আলমের ছেলে শফিউল আলম প্রিন্সকে গ্রেফতার করে।
পরে তাদের কাছ থেকে ১১ ভরি ১ আনা ২ রতি স্বর্ণালংকার, নগদ ৭১০ টাকা ও প্রতারণার কাজ ব্যবহৃত দুটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।