জেলার অন্যতম ধানের বাজার দুর্গাপুরের হাটে বুধবার সকাল থেকেই ধান নিয়ে আসেন কৃষকরা। এরমধ্যে সুগন্ধি ধানের বাজারে ক্রেতা এবং বিক্রেতা উভয় কম ছিল। এখানে তুলসী মালা, কালিজিরা, ব্রিধান ৩৪-সহ বিভিন্ন জাতের সুগন্ধি এক মণ ধানের সর্বোচ্চ দাম উঠেছে ১৮শ’ থেকে ২ হাজার টাকা। তবে গেল বছর একই ধান মণ প্রতি বিক্রি হয়েছে ২৬শ’ থেকে ২৮শ’ টাকায়।
মহাজনরা বলছেন, মূলত বিভিন্ন কোম্পানি সুগন্ধি ধানের ক্রয় বন্ধ রাখায় দাম কমেছে। ফলে ধানের কেনাবেচাও কম হচ্ছে। তবে অন্যান্য ধানের দাম সর্বোচ্চ রয়েছে।
.png)
আজকের বাজারে প্রতি মণ মোটা ধান বিক্রি হচ্ছে ১৩শ’ টাকায়। আর চিকন ধান বিক্রি হচ্ছে ১৫শ’ থেকে ১৬শ’ টাকায়। মূলত সুগন্ধি ধানের বাজার ছাড়া আর সব ধানের দাম বাজারে সর্বোচ্চ থাকায় কৃষকরা ভালো দাম পাচ্ছেন বলছেন ব্যবসায়ীরা।
কৃষক আব্দুল হালিম জানান, গত বছর সুগন্ধি ধানের বাজার ভালো থাকায় এ বছর আমরা বেশকিছু জমিতে সুগন্ধি ধানের আবাদ করেছি। কিন্তু বাজারে তো কেউ দামই বলে না। গত বছর ৩ হাজার টাকায় ধান বিক্রি করলেও এ বছর ২ হাজার টাকার নিচে মণ প্রতি দাম বলছে। আমরা এখন ধান নিয়ে বিপাকে আছি।

ধান ব্যবসায়ী সুবল চন্দ্র দে জানান, শুধুমাত্র সুগন্ধি ধানের বাজার ছাড়া অন্যান্য ধান সর্বোচ্চ দামে আছে। মূলত সুগন্ধি ধান বিভিন্ন কোম্পানিগুলো ক্রয় করে প্যাকেটজাত করে বিক্রয় করে। কিন্তু এ বছর এখনো কোম্পানিগুলো ক্রয় শুরু না করায় বাজারে দাম কমে গেছে। অনেকের কাছেই পর্যাপ্ত পরিমাণে ধান থাকে। কেউ এখন নতুন করে কিনতে চাচ্ছে না। অন্যান্য ধানগুলো যেমন চিকন এবং মোটা ধান বাজারের সর্বোচ্চ দামে বিক্রি হচ্ছে। এ বছর আকস্মিক বন্যায় ধান নষ্ট হয়, তাই ধানের দাম বেড়ে গেছে। তবে সামনের দিনগুলোতে ক্রয় শুরু হলে সুগন্ধি ধানের বাজারও বেড়ে যাবে।