শুক্রবার (২৭ ডিসেম্বর) রাত ৩টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে মারা যান নাজমা। এর আগে, রাত ৮টার দিকে চন্দনাইশ উপজেলার হাশিমপুর ইউনিয়নের সাত নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ হাশিমপুর বাউলিয়াপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত নাজমা আকতার বাউলিয়াপাড়া গ্রামের সেলিম উদ্দিনের মেয়ে। ঘাতক আবদুল জব্বার দোহাজারী পৌরসভার জামিজুরী এলাকার আব্দুস সালামের ছেলে।
.png)
জানা গেছে, শুক্রবার রাত ৮টার দিকে রান্নাঘরে কাজ করার সময় পারিবারিক বিষয়ে স্বামীর সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয় নাজমার। একপর্যায়ে বাড়িতে প্লাস্টিক বোতলে থাকা অকটেন এনে রান্নাঘরে স্ত্রীর দিকে ছুড়ে মারেন স্বামী আবদুল জব্বার। এতে নাজমার শরীরের বিভিন্ন অংশ আগুনে ঝলসে যায়। দ্রুত তাকে উদ্ধার করে প্রথমে দোহাজারী হাসপাতালে ও পরে চমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ৩টার দিকে মারা যান নাজমা। এ ঘটনায় রাতেই চন্দনাইশ থানায় মামলা করেন নাজমা আকতারের ভাই। এরপর শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) ভোরে হাশিমপুর পাহাড়ি এলাকা থেকে আবদুল জব্বারকে গ্রেফতার করা হয়।
দোহাজারী হাসপাতালের চিকিৎসক উর্মি চক্রবর্তী বলেন, নাজমার হাত-পা ও শ্বাসযন্ত্রসহ শরীরের বিভিন্ন অংশ পুড়ে গেছে।
চন্দনাইশ থানার ওসি ইমরান আল হোসাইন বলেন, নিহতের স্বামী আবদুল জব্বারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।