নিহতরা হলেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলার শিকড়ি গ্রামের আব্দুল জলিল ও তার স্ত্রী ফাতেমা খাতুন। আব্দুল জলিল শিকড়ি গ্রামের আবুল ঢালীর ছেলে।
সদর উপজেলার কুশখালি গ্রামের নূর ইসলাম জানান, তার মেয়ে ফাতেমার সঙ্গে শিকড়ি গ্রামের আবুল ঢালীর ছেলে দিনমজুর সম্রাটের ১৩ বছর আগে বিয়ে হয়। বর্তমানে তাদের ১১ বছর বয়সী একটি ছেলে ও ৮ বছর বয়সী একটি মেয়ে আছে। সংসারের হাল ফেরাতে এক বছর আগে ছেলে ও মেয়েকে নিয়ে ফাতেমা ঢাকায় পোশাক কারখানায় কাজ করতে যায়। এটাকে ভালো চোখে নেয়নি সম্রাট। দু’সন্তানকে ঢাকায় রেখে ফাতেমা রবিবার বাড়িতে ফেরে।
.png)
সোমবার দুপুরে খাওয়া-দাওয়া শেষে ফতেমা ও সম্রাট ঘরের দরজা লাগিয়ে শুয়ে পড়ে। দীর্ঘক্ষণ তাদের কোনো সাড়া শব্দ না পাওয়ায় খবর পেয়ে প্রতিবেশীরা দরজা ভেঙে ফেলেন। এ সময় তারা ফাতেমাকে তার পরিহিত শালোয়ার গলায় পেঁচানো অবস্থায় মৃত ও সম্রাটকে আড়ায় দড়িতে ঝোলানো অবস্থায় দেখতে পান।
নূর ইসলাম ও স্থানীয়দের আশঙ্কা ছেলে-মেয়েদের ঢাকায় রেখে আসার কারণে স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়া চরমে উঠার একপর্যায়ে ফাতেমাকে হত্যা করে সম্রাট আত্মহত্যা করেছেন।
সাতক্ষীরা সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) সুশান্ত কুমার ঘোষ জানান, স্বামী-স্ত্রীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে লাশ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার আগ পর্যন্ত মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত করা যাবে না।