বছরের শেষ সূর্যাস্তের সঙ্গে প্রাপ্তি আর অপ্রাপ্তির হিসাব পেরিয়ে নতুন সূর্যাস্তের প্রত্যাশার আরো একটি বছর শুরু হলো। পড়ন্ত বিকেলে সবার দৃষ্টি তাই ছিলো সূর্যাস্তের দিকেই।
বুধবার (১ জানুয়ারি) নগরীর পদ্মাপাড়ে গিয়ে প্রচুর দর্শনার্থীর ভিড় দেখা যায়। বছরের প্রথম সূর্যাস্তের সঙ্গে ফটোসেশনে মেতেছিলেন নানা বয়সী মানুষ।
.png)
বিশাল পদ্মার বুকে ক্ষণিকের বছরের নতুন ডুবন্ত সূর্যের দৃশ্য দেখে তৃপ্ত হয় ভ্রমণপিপাসুরা। নতুন প্রত্যাশা নিয়ে শুরু হচ্ছে ২০২৫ এর যাত্রা। বিকেল গড়াতেই দর্শনার্থীদের চোখ ছিলো পশ্চিম আকাশে। একটু একটু করে পদ্মার বুকে হেলে পড়ে সূর্য। পদ্মার বুকে যতোই হেলে পড়ছে সূর্য, ততোই রাঙা হয়ে উঠে আকাশ ও এর চারপাশ।
পদ্মার বিশাল চরে পরিবার-পরিজন নিয়ে নতুন বছরকে বরণ করে নিতে আনন্দে মেতে ওঠে দর্শনার্থীরা। কেউ নৌকায় পদ্মার বুকে গিয়ে সূর্যোদয়ে সে দৃশ্য উপভোগ করতে থাকে। গম্ভীর নিশ্বাসে কেউ আনন্দ উল্লাসে দেখেছেন সূর্যাস্ত। হাত নেড়ে বিদায় দিয়েছেন বছরের প্রথম সূর্যাস্তকে। আর সূর্যের সঙ্গে ফ্রেমে বন্দি করছেন নিজের ছবিটাকেও।
ক্ষণিকেই আরো হেলে পড়ল সূর্য, নিমিষেই একেবারে পদ্মার বুক ছুঁই ছুঁই লাল সূর্য। সূর্যের লাল আভা ছড়িয়ে গেল পদ্মার জলে। ততক্ষণে লাল সূর্য পদ্মায় নিজেকে সপে দিল পুরোপুরি। ২০২৫ সালের প্রথম সূর্যাস্ত দেখতে দেখতে প্রত্যাশা করেছেন, সুন্দর হোক আগামী বছরগুলো।
দর্শনার্থীরা জানান, পুরনো বছরের ভুলত্রুটিগুলো বাদ দিয়ে নতুন উদ্যমে এগিয়ে যেতে চায় আমরা। নতুন বছর প্রতিটি মানুষের জন্য, সমাজের জন্য, দেশের জন্য আরো সম্ভাবনা ও সমৃদ্ধি হবে এমনটাই প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তারা।