অভিযানে নেতৃত্ব দেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রণয় বিশ্বাস। এ সময় সেখানে আরো উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ অধিদফতর সাতক্ষীরার সহকারী পরিচালক সরদার শরিফুল ইসলামসহ পুলিশ ও আনসার সদস্যরা।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রণয় বিশ্বাস জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত উক্ত তিনটি ইটভাটায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় কোনো বৈধ কাগজপত্র, ভ্যাট-ট্যাক্সের নথিপত্র ও রেজিস্ট্রেশন না থাকায় সদর উপজেলার ভাড়ুখালী নিমতলা এলাকার মেসার্স এম.এম ব্রিকসের মালিক আমিনুল হককে ৪ লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে তিন মাসের জেল প্রদান করা হয়।
.png)
একইসঙ্গে ভাটার একাংশ ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। এছাড়া, একই উপজেলার আগড়দাঁড়ি ইউনিয়নের ব্যাতলা গ্রামের সৌদিয়া ব্রিকসের মালিক কামরুল ইসলামকেও একই অপরাধে তিন লাখ টাকা জরিমানাসহ অনাদায়ে তিন মাসের জেল প্রদান করা হয় এবং ভাটাটি ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।
এদিকে, ছয়ঘরিয়া এলাকার নীট ব্রিকস এ অভিযান চালিয়ে ভাটা মালিক কুদ্দুস মিয়াকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং সেখানে তৈরিকৃত কাঁচা ইট ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। একইসঙ্গে বৈধ কাগজপত্র না দেখানো পর্যন্ত উক্ত তিনটি ইটভাটার সব কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।