নিহতরা হলেন মহেশপুর উপজেলার পাতিবিলা গ্রামের পিন্টু হোসেনের স্ত্রী লাইজু খাতুন (২৭) এবং তাদের দুই মেয়ে খাদিজা (৫) ও মরিয়ম (৩)। ঈদ উপলক্ষে তারা মহেশপুর থেকে নোয়াখালীর উদ্দেশে মামুন পরিবহনের একটি বাসে রওনা হয়েছিলেন।
এ ছাড়া মহেশপুর উপজেলার ভালাইপুর গ্রামের সোনালি বেগম (৫০) ঘটনাস্থলেই নিহত হন। এ ঘটনায় তাঁর স্বামী ইমামুল ইসলাম (৫৮) ও আয়েশা (৭) নামে এক শিশু আহত হয়েছেন। তারাও নোয়াখালীতে বড় ছেলের বাড়িতে বেড়াতে যাচ্ছিলেন।
.png)
অন্যদিকে, ঝিনাইদহ সদর উপজেলার হরিশংকরপুর ইউনিয়নের পানামী গ্রামের মুক্তার হোসেনের ছেলে জোহাদ হোসেনও একই দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন। তিনি ঈদের নামাজ শেষে শ্বশুরবাড়ির উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার দিবাগত রাত সোয়া ৩টার দিকে কুমিল্লার পদুয়ার বাজার এলাকায় একটি যাত্রীবাহী বাস রেলক্রসিং পার হওয়ার সময় ট্রেনের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে বাসটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই বেশ কয়েকজনের মৃত্যু হয়।
খবর পেয়ে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় লোকজন দ্রুত উদ্ধারকাজ শুরু করে। আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় ঝিনাইদহের বিভিন্ন এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহতদের স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে পরিবেশ।
ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মাসউদ জানান, জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে হতাহত পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হয়েছে এবং উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে।