উদ্ধার হওয়া মরদেহটি শিশু রাফিয়া খাতুনের (৬)। সে কালিয়া উপজেলার মহিষখোলা গ্রামের এনায়েত শেখর মেয়ে। নিখোঁজ শিশুটি প্রতিবেশী আরিয়া খাতুন (৭)। তার বাবার নাম আব্দুল্লাহ শেখ।
পুলিশ, পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মহিষখোলা গ্রামের চিত্রা নদীর পাড়ে শিশু রাফিয়া ও আরিয়াদের বাড়ি। প্রতিবেশী ও সমবয়সী হওয়ায় একসঙ্গে বেড়ে ওঠা ওই দুই শিশুর। শনিবার সকাল থেকেই নদীপাড়ে খেলছিল তারা। বেলা ১১টার দিকে পরিবারের লোকজন তাদের দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। এ সময় সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজ করেও তাদের সন্ধান মিলছিল না। এরপর বেলা ৩টার দিকে তাদের বাড়ি থেকে এক কিলোমিটার সামনে যাদবপুর এলাকায় চিত্রা নদীতে একটি শিশুর মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। খবর পেয়ে সেখানে গিয়ে মরদেহটি রাফিয়ার বলে নিশ্চিত করে পরিবার। মরদেহটি উদ্ধার করে বাড়িতে আনা হয়। পরে নদীপাড়ে গিয়ে দুই শিশুর জুতা পড়ে থাকতে দেখে স্বজনেরা। এরপর বিকেল থেকে নদীতে গিয়ে নিখোঁজ আরিয়াকে খুঁজছেন স্বজনরা। তবে এখনো তার কোনো সন্ধান মেলেনি।
.png)
নড়াইল ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা হুমায়ুন কবীর বলেন, নিখোঁজ শিশুটির সন্ধানে খুলনার একটি ডুবুরি দলকে খবর দেওয়া হয়েছে। আজ তারা এসে উদ্ধার অভিযান শুরু করবে।
শনিবার সন্ধ্যায় কালিয়া থানার ওসি ইদ্রিস আলী বলেন, নিখোঁজ দুই শিশুর একজনের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। আরেকজনের খোঁজ চলছে।