বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে ফরিদপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক শামীমা পারভীন আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত নাসের ঠাকুর উপজেলার গদাধরদী গ্রামের মো. কোহেল ঠাকুরের ছেলে।
রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি (পিপি) গোলাম রব্বানী জানান, একই উপজেলার স্বপ্না বেগমের (২৫) সঙ্গে বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন সময় যৌতুকের জন্য চাপ দিতেন নাসের। দাবিকৃত অর্থ না পেয়ে প্রায়ই স্ত্রীকে মারধর করতেন তিনি। ২০১৬ সালের ২১ মার্চ যৌতুকের জন্য স্বপ্নাকে আবার মারধর করেন নাসের। একপর্যায়ে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে তাকে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় স্বপ্নার ভাই বাদী হয়ে মধুখালী থানায় হত্যা মামলা করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
.png)
সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আসামিকে যাবজ্জীবনের পাশাপাশি ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়; যা অনাদায়ে তাকে আরো এক বছর সশ্রম কারাবাসে থাকতে হবে বলে জানান পিপি গোলাম রব্বানী। রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে তিনি বলেন, এ ধরনের নৃশংস ঘটনা সমাজে কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। যৌতুক নির্যাতনের বিরুদ্ধে একটি কঠোর বার্তা দেবে আদালতের এ রায়।