রোববার (২১ জুন) বাদ আছর লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার আলেকজান্ডার পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।
লক্ষ্মীপুর জজকোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট রিপন পাটোয়ারী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। দীর্ঘদিন ধরে নানা রোগে আক্রান্ত ছিলেন তিনি। তিনি স্ত্রী, ৩ ছেলে ও ২ মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
.png)
স্থানীয় সূত্র জানায়, প্রবীণ এই জননেতা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন শহীদুল্লাহ হল ছাত্র সংসদের সাবেক ভিপি ছিলেন। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিসংগ্রামের অন্যতম সংগঠক হিসেবে তিনি অনন্য ভূমিকা পালন করেন। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন তিনি হাতিয়া-রামগতি অঞ্চলের জোনাল কমান্ডারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে তিনি রামগতি-কমলনগর (লক্ষ্মীপুর-৪) আসন থেকে এমপি নির্বাচিত হয়ে এলাকার উন্নয়নে অবদান রাখেন।
সাবেক সংসদ সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মোশারফ হোসেন মিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় এমপি ও জাতীয় সংসদের হুইপ এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান।
তিনি বলেন, মোশারফ হোসেন মিয়ার মৃত্যুতে আমরা একজন দেশপ্রেমিক, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও অভিভাবককে হারালাম। মুক্তিযুদ্ধে এবং রামগতি-কমলনগর অঞ্চলের মানুষের কল্যাণে তার অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।
এছাড়া মোশারফ হোসেন মিয়ার মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন বিকল্পধারা বাংলাদেশের মহাসচিব ও সাবেক মন্ত্রী অবসরপ্রাপ্ত মেজর আবদুল মান্নান, সাবেক এমপি আব্দুল্লাহ আল মামুন, কমলনগর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল বারাকাত দুলাল, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ, রামগতি উপজেলা বিএনপির সভাপতি ডা. জামাল উদ্দিন, কমলনগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি নুরুল হুদা চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক এম দিদার হোসেন ও কমলনগর প্রেস ক্লাবের সভাপতি এম এ মজিদ, সাধারণ সম্পাদক মুছাকালিমুল্লাহ, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জেএসডি ও বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল বাসদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতারা।