মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকাল ১১টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত পরিচালিত বিশেষ অভিযানে শত্রুজিতপুর বাজারের বিসিআইসি সার ডিলার, মুদি দোকানসহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান তদারকি করা হয়।
অভিযানের সময় শত্রুজিতপুর বাজারের মেসার্স সনজিত কুমার সাহা নামের বিসিআইসি সারের দোকানে একাধিক অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়। তদারকিতে দেখা যায়, সরকার নির্ধারিত ১ হাজার ৩৫০ টাকা মূল্যের টিএসপি সার প্রতি বস্তা ২ হাজার ২০০ টাকায় এবং ১ হাজার ৫০ টাকা নির্ধারিত মূল্যের ডিএপি সার প্রতি বস্তা ১ হাজার ৭০০ টাকায় বিক্রি করা হয়েছে।
.png)
এছাড়া অতিরিক্ত দামে সার বিক্রি করা হলেও কোনো ভাউচার দেওয়া হয়নি এবং বিক্রির তথ্য রেজিস্ট্রারেও লিপিবদ্ধ করা হয়নি। অভিযানের সময় দুইজন কৃষকের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা বলে অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত হওয়া যায়। তারা জানান, তাদের কাছ থেকেও অতিরিক্ত মূল্য নেওয়া হলেও কোনো ভাউচার দেওয়া হয়নি। বিষয়টিকে কৃষক ও কৃষির সঙ্গে প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড হিসেবে উল্লেখ করেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
এ ধরনের প্রতারণামূলক অপরাধের দায়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৪৫ ও ৪০ ধারায় প্রতিষ্ঠানটিকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। পাশাপাশি ভবিষ্যতে কৃষকদের সঙ্গে এ ধরনের প্রতারণামূলক কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার জন্য সতর্ক করা হয়।
অভিযান পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মাগুরা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সজল আহম্মেদ। সার্বিক সহযোগিতা করেন জেলা কৃষি বিপণন কর্মকর্তা মো. রবিউল ইসলাম এবং মাগুরা জেলা পুলিশের একটি টিম।
অভিযান শেষে সহকারী পরিচালক সজল আহম্মেদ জানান, জনস্বার্থে এ ধরনের তদারকি ও অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।