সোমবার দুপুরে জামালপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম এ রায় ঘোষণা করেন।
হত্যা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি হাফিজুল জেলার বকশীগঞ্জ উপজেলার মেরুরচর এলাকার মৃত প্রধানের সন্তান এবং অপহরণ মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি শামীম, সাদেক এবং জালাল মিয়া জামালপুর সদর উপজেলার ভারুয়াখালী ও বিষ্ণুপুর এলাকার বাসিন্দা।
.png)
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্য ডভোকেট ফজলুল হক জানান, ২০১২ সালের ৪ সেপ্টেম্বর সকালে যৌতুকের দাবিতে গৃহবধূ হনুফা বেগমকে মারধর করে হত্যা করে তার স্বামী হাফিজুল। খবর পেয়ে গৃহবধূর পরিবার ভোলা থেকে এসে মরদেহ নিয়ে যায়। এরপর ১৯ সেপ্টেম্বর বকশীগঞ্জ থানায় গৃহবধূর মা আমেনা বেগম বাদী হয়ে ৫ জনের নামে হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে ৭ জনের স্বাক্ষ্য ও প্রমাণ শেষে আদালত গৃহবধূর স্বামীকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেন এবং ৪ জনকে খালাস প্রদান করেন।
অ্যাডভোকেট ফজলুল হক আরো জানান, ২০২৪ সালের ২২ ডিসেম্বর সকালে সেই সময়ের এসএসসি পরীক্ষার্থী কিশোরী বাড়ি থেকে প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার সময় হরিপুর এলাকা থেকে অপহরণ করে আসামিরা। এ ঘটনায় কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে জামালপুর থানায় অভিযোগ করলে গাজীপুর জেলা থেকে কিশোরীকে উদ্ধার করে পুলিশ। সেই মামলায় ৭ জনের সাক্ষ্য ও প্রমাণ শেষে তিনজনকে যাবজ্জীবন সাজা দেয় আদালত এবং আসামি জালালকে ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপক্ষ ও বাদীপক্ষ।