ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

বগুড়ায় ডিসির আশ্বাসে অবরোধ প্রত্যাহার

বগুড়া প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৮:৫৬, ২১ জুলাই ২০২৬
বগুড়ায় ডিসির আশ্বাসে অবরোধ প্রত্যাহার
ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার প্রস্তাবিত স্থানে বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবিতে মানবন্ধন, সমাবেশ ও ঢাকা-বগুড়া মহাসড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করেন স্থানীয়রা। পরে জেলা প্রশাসকের আশ্বাসে আন্দোলনকারীরা মহাসড়ক অবরোধ কর্মসূচি প্রত্যাহার করেন।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকালে ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কের নয়মাইল এলাকায় এই কর্মসূচি পালন করা হয়। এতে রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মী, শিক্ষাবিদ, ছাত্র প্রতিনিধি ও সর্বস্তরের মানুষ অংশ নেন। কর্মসূচির কারণে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকে। এতে ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, প্রায় ২৫ বছর আগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া উপজেলার জামালপুর এলাকায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও সেই উদ্যোগ বাস্তবায়ন হয়নি। ভূমি অধিগ্রহণের জটিলতার অজুহাতে প্রস্তাবিত স্থান বাদ দিয়ে অন্যত্র বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

Advertisement

আড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান আতিকুর রহমান বলেন, জামালপুর এলাকায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য পর্যাপ্ত জমি রয়েছে এবং ভূমি অধিগ্রহণে কোনো বাস্তব প্রতিবন্ধকতা নেই।

দেলোয়ার হোসেন বলেন, জামালপুরের ভৌগোলিক অবস্থান, মনোরম পরিবেশ, উন্নত সড়ক যোগাযোগ, নির্মাণাধীন বগুড়া-সিরাজগঞ্জ রেলপথের সম্ভাবনা এবং পল্লী উন্নয়ন একাডেমির (আরডিএ) নিকটবর্তী অবস্থান বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য উপযোগী।

বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, ভূমি অধিগ্রহণের জন্য স্থানীয় প্রশাসনের প্রস্তুতি থাকা সত্ত্বেও বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ২০২৫ সালের ৩ ডিসেম্বর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আবেদন করলেও সংশ্লিষ্ট ফাইল দীর্ঘদিন ধরে আটকে রয়েছে।

জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. তৌফিকুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কথা বলেছি। তাদের দাবি বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষেকে জানানো হবে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/কে কে
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!