বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতে এ রায় প্রদান করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত আশরাফুল আলী সদর ইউনিয়নের বাসিন্দা এবং মো. নুর ইসলামের ছেলে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযানে আশরাফুল আলীর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ২০০ লিটার নকল দুধ এবং দুধ তৈরিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন উপকরণ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত উপকরণের মধ্যে কেমিক্যাল, ভোজ্য তেল, চিনি, কস্টিক সোডা, নন-ডেইরি উপাদানসহ অন্যান্য সামগ্রী রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, এসব উপকরণ ব্যবহার করে ভেজাল দুধ তৈরি ও বাজারজাতকরণ করা হতো।
.png)
অভিযান শেষে ঘটনাস্থলেই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন ভাঙ্গুড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আরিফুজ্জামান। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত আশরাফুল আলীকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আরিফুজ্জামান জানান, জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর ভেজাল খাদ্য উৎপাদন ও বাজারজাতকরণের বিরুদ্ধে নিয়মিতভাবে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান আগামীতে অব্যাহত থাকবে।