এ সময় সরকারি দায়িত্ব পালনে বাধা, গালিগালাজ, অসৌজন্যমূলক ও মারমুখী আচরণের অভিযোগ তুলেছে প্রশাসন। প্রশাসনের এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা আব্দুল কাদের।
সোমবার (৩ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা বাজারে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। অভিযানে বিভিন্ন ফার্মেসিতে অনুমোদনবিহীন ওষুধ, স্যাম্পল ওষুধ এবং অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্টার সংরক্ষণে অনিয়ম ধরা পড়ে। ওষুধ ও কসমেটিকস আইনে অনিয়মের দায়ে তিনটি ফার্মেসিকে অর্থদণ্ড করা হয়।
.png)
সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্টেট শাহীন আলম বলেন, আইন অনুযায়ী মোবাইল কোর্ট পরিচালনা ও জরিমানা করা হচ্ছিল। এ সময় আব্দুল কাদের ঘটনাস্থলে এসে জনসম্মুখে তার সঙ্গে ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করেন, গালিগালাজ করেন এবং মারমুখী ভঙ্গিতে কথা বলেন। মব সৃষ্টি করার চেষ্টা করেন। এতে সরকারি দায়িত্ব পালনে বিঘ্ন ঘটে। বিষয়টি তিনি জেলা প্রশাসকসহ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছেন বলে জানান।
দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লাভলী ইয়াসমিন বলেন, বিষয়টি জেলা প্রশাসকসহ উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। প্রশাসন আইন অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছে। অভিযান চলাকালে কেউ এসে মব সৃষ্টি করবে, প্রশাসনের কর্মকর্তাদের গালিগালাজ করবে বা দায়িত্ব পালনে বাধা দেবে, এটি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ঘটনার বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
অভিযোগের বিষয়ে আব্দুল কাদের বলেন, এসিল্যান্ডের সঙ্গে কোনো মারমুখী বা অসৌজন্যমূলক আচরণ করা হয়নি। কিছু বিষয় নিয়ে বাকবিতণ্ডার হয়েছে।
জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক এম এ তালহা বলেন, ঘটনাটি এখনও বিস্তারিত জানি না। যদি সাংগঠনিক কোনো নেতাকর্মী এমন আচরণ করে থাকেন এবং অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়, তাহলে দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
দামুড়হুদা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল হাসান তনু বলেন ঘটনাটি আমি শুনেছি, খুবই দুঃখজনক, এগুলো কোনরকমে মেনে নেয়া যায় না।