বুধবার বিকেল তিনটার দিকে পদ্মা সেতুর কাছে বাওয়া এলাকা থেকে বিনয় রায় এর মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
এর আগে মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বিকেলে যমুনা নদীর কাজিরহাট ঢালারচর এলাকার দাশপাড়া পয়েন্ট থেকে প্রভাত সরকার এর মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নদীপাড়ে শত শত উৎসুক জনতা ভিড় করে। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
.png)
নিহত শিক্ষার্থী শ্রী প্রভাত সরকার (১৫) গাজীপুর সদর উপজেলার মিটুলাল সরকারের ছেলে এবং বিনয় রায় (১৫)টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার ধলতোষা গ্রামের অনুতোষ রায়ের ছেলে। তারা সম্পর্কে মামাতো-ফুফাতো ভাই এবং দুজনই নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুই কিশোর আমিনপুর থানার খানপুরা মধ্যপাড়া এলাকায় শ্রী নিমাই করাতির বাড়িতে বেড়াতে এসেছিল। সোমবার (৩ আগস্ট) দুপুরে বাড়ির পাশের যমুনা নদীর নটাখোলা পয়েন্টে গোসল করতে নামে তারা। একপর্যায়ে নদীর তীব্র স্রোতে তলিয়ে যায় দুজন। স্থানীয়রা তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধারের চেষ্টা চালালেও তাদের খুঁজে পাননি। পরে খবর পেয়ে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও ডুবুরি দল যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান শুরু করে।
মঙ্গলবার দিনভর অভিযান চালিয়ে বিকেলে ডুবুরি দল প্রভাত সরকারের মরদেহ উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। আলো স্বল্পতার কারণে সন্ধ্যার পর মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিক উদ্ধার অভিযান স্থগিত করা হয়। তবে স্থানীয়রা ডিঙি নৌকা নিয়ে নদীতে খোঁজ চালিয়ে যাচ্ছিলেন। পরে বুধবার বিকেল তিনটার দিকে পদ্মা সেতুর কাছে বাওয়া এলাকায় বিনয় রায় এর মরদেহটি ভেসে ওঠে। খবর পেয়ে নৌ পুলিশ স্পিডবোটযোগে সেখানে গিয়ে মরদেহটি হেফাজতে নেয়।
কাজিরহাট নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (ওসি) অরবিন্দ সরকার বলেন, দুই শিক্ষার্থীর মরদেহ ময়নাতদন্তের পর স্বজনদের কাছে তা হস্তান্তর করা হবে।