ওসি বলেন, রাতে লোডশেডিংয়ের সময় দুইটি মোটরসাইকেলে চারজন যুবক এসে রুনা টাওয়ারের দরজা লক্ষ্য করে গুলি করে পালিয়ে যায়।
পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘এই গুলির ঘটনাটি রাজনৈতিক নাকি চাঁদাবাজি, সেটির তদন্ত চলছে। আমরা আশপাশের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করেছি। তদন্ত শেষে বিস্তারিত বলা যাবে।’
.png)
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রুনা টাওয়ারের মালিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ স্বেচ্ছাসেবক লীগের নগর কমিটির সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমানের শ্বশুরের। তারা পুরো বিল্ডিং ভাড়া দিয়ে অন্য এলাকায় বসবাস করেন।
প্রসঙ্গত, চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলীর ক্যাডার মোবারক হোসেন প্রকাশ ডেভিড ইমন, মোহাম্মদ রায়হানের নেতৃত্ব পাঁচলাইশ, বায়েজিদ, চান্দগাঁও এলাকায় নির্মাণাধীন বাড়ির মালিক ও ব্যবসায়ীদের কাছে চাঁদা চাওয়া হতো। চাঁদা না পেলে কথায় কথায় গুলি করত তারা। গত ২৮ জুলাই ডেভিড ইমন গ্রেপ্তার হলে কিছুটা নীরবে চলছে সেই সন্ত্রাসী বাহিনী।
ডেভিড ইমন গ্রেপ্তার হলেও রায়হান এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে। গতরাতের ঘটনায় পুলিশের সন্দেহ রায়হানের দিকে বলেও জানা গেছে।