ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

চট্টগ্রামে গাড়িচালক সজিব হত্যায় তিন আসামির মৃত্যুদণ্ড

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৮:১৩, ১৭ আগস্ট ২০২৬
চট্টগ্রামে গাড়িচালক সজিব হত্যায় তিন আসামির মৃত্যুদণ্ড
ফাইল ফটো

চট্টগ্রাম নগরীর টোল রোড এলাকায় গাড়িচালক সজিব হত্যা মামলায় তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে সোমবার (১৭ আগস্ট) এ রায় ঘোষণা করা হয়।

চট্টগ্রামের পঞ্চম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. তাজউল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত তিন আসামি হলেন হবিগঞ্জের বানিয়াচং থানার নুরুল আমিন, কুমিল্লার দেবীদ্বারের শাহজাহান এবং ফেনী সদর উপজেলার নুরুল আলম টুটুল।

রায় ঘোষণার সময় নুরুল আলম টুটুল আদালতে উপস্থিত ছিলেন। অপর দুই আসামি পলাতক রয়েছেন।

Advertisement

যেভাবে উদ্ধার হয় সজিবের মরদেহ

মামলার নথি ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের ২৭ অক্টোবর চট্টগ্রাম নগরীর পাহাড়তলী থানার টোল রোডের পূর্ব পাশ থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

মরদেহ উদ্ধারের পর পরিচয় শনাক্তে পুলিশ ফিঙ্গারপ্রিন্ট ও জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য যাচাই করে। পরে জানা যায়, নিহত ব্যক্তি নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার বাসিন্দা গাড়িচালক সজিব।

পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। হত্যার কারণ ও জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্তে বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা হয়।

আদালতে মামলা ও সাক্ষ্যগ্রহণ

সজিবের মৃত্যুর ঘটনায় তার ছোট ভাই ইকবাল হোসেন রবিউল বাদী হয়ে মামলা করেন। মামলার তদন্ত শেষে তিন আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।

মামলাটির বিচার চলাকালে রাষ্ট্রপক্ষ আসামিদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সাক্ষ্য-প্রমাণ উপস্থাপন করে। সাক্ষ্যগ্রহণ ও নথিপত্র পর্যালোচনা শেষে আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে বলে সিদ্ধান্তে পৌঁছান। এরপর আদালত তিন আসামিকেই মৃত্যুদণ্ড দেন। পাশাপাশি প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।

দুজন পলাতক, একজন আদালতে

রায় ঘোষণার সময় নুরুল আলম টুটুল আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তবে নুরুল আমিন ও শাহজাহান বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে রায়ের পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া কার্যকর করার বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দেখবে।

গাড়িচালক সজিব হত্যার ঘটনায় আদালতের এ রায়ে নিহতের পরিবার ও মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে বিচার পাওয়ার প্রত্যাশা পূরণ হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমকে
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!