মামলার এজাহার ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০২১ সালের ২১ অক্টোবর ভোর সাড়ে ৪টার দিকে মেয়েকে ধর্ষণ করেন আব্দুল খালেক। ওই সময় শিশুটির সৎ মা স্থানীয় একটি চাতালে ধান সিদ্ধর কাজ করতে যান। ধর্ষণের পর বিষয়টি কাউকে জানালে হত্যার হুমকি দেয় খালেক।
পরে শিশুটির আচরণে পরিবর্তন দেখা দেয়। তখন বাড়ির কাজ ঠিকঠাক না করতে পারায় তার সৎ মা তাকে মারধর করতে থাকে। একপর্যায়ে শিশুটি সৎ মাকে বিষয়টি জানায়। তবে স্বামীর বিরুদ্ধে মেয়ের অভিযোগ বিশ্বাস না করে তিনি শিশুটির ওপর নির্যাতনের মাত্রা আরও বাড়িয়ে দেন। পরে নির্যাতন থেকে বাঁচতে শিশুটি তার দুই সহপাঠীকে ঘটনাটি জানায়। তাদের কাছ থেকে বিষয়টি জানার পর স্থানীয় বাসিন্দারা থানায় অভিযোগ করেন।
এর পরিপ্রেক্ষিতে ২০২১ সালের ৩১ অক্টোবর শিশুটির মা (আসামির দ্বিতীয় স্ত্রী) শেরপুর থানায় তার স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা করেন।
.png)
বগুড়া কোর্ট পরিদর্শক ইন্সপেক্টর শহিদুল ইসলাম শহিদ জানান, রায় ঘোষণার পর আসামিকে পুনরায় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।