মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বরগুনা জেলা মৎস্যজীবীর ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে সোমবার দুপুর ১২টার দিকে গভীর বঙ্গোপসাগরে এ ঘটনা ঘটে। ট্রালারে থাকা নিখোঁজ ওই পাঁচ জেলে বেঁচে নেই বলেও জানিয়েছেন ফিরে আসা জেলে মনমথ।
.png)
নিখোঁজ জেলেরা হলেন পাথরঘাটা উপজেলা সদর ইউনিয়নের মোস্তফার ছেলে কাওছার, ইদ্রিসের ছেলে বেল্লাল, চুন্নু মাঝির ছেলে ইব্রাহিম, জাহাঙ্গীর মোল্লার ছেলে নুর আলম, শাহাদাত মাঝির ছেলে সাইকুল ইসলাম।
উদ্ধার হওয়া জেলে ও ট্রলারের বাবুর্চি ইউনুস মোল্লা জানান, সাগরে তখন প্রচণ্ড পরিমানে নিম্ন চাপ চলছিল। এর মধ্যেই জাল ফেলার প্রস্তুতির মধ্যে ক্লান্ত হয়ে কয়েকজন জেলে ট্রলারের ব্রিজের ভেতরে ঘুমিয়ে ছিলেন। কিছুক্ষণ পর হঠাৎ প্রচণ্ড তুফান ও ঢেউয়ের আঘাতে ট্রলারটি উল্টে যায়। এ সময় ব্রিজের ভেতরে থাকা জেলেদের মধ্যে একজন প্রায় ২০ মিনিট পর বের হতে সক্ষম হলেও অপর পাঁচ জেলে বের হতে পারেনি। ট্রলারটি ডুবে যাওয়ার পর ৮ জন জেলে প্রায় দুই ঘণ্টা সাগরে ভেসে থাকার পর একটি অন্য ট্রলারে উঠে প্রাণে বাঁচেন।
বরগুনা জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী জানান, দুই দিন আগে পাথরঘাটা থেকে মাছ ধরার উদ্দেশ্যে গভীর সমুদ্রে যায় বাদল মোল্লার মালিকানাধীন এফবি বরকত। সোমবার বৈরী আবহাওয়া ও প্রচণ্ড ঢেউয়ের কবলে পড়ে ট্রলারটি ডুবে যায়। পরে একটি অন্য ট্রলার ৮ জেলেকে জীবিত উদ্ধার করে।
নিখোঁজ ৫ জেলেকে উদ্ধারে জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির পক্ষ থেকে দুটি ট্রলার সমুদ্রে পাঠানো হয়েছে। ডুবে যাওয়া ট্রলারে থাকা ১৩ জেলের বাড়িই পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায়। তবে লোকমুখে শুনতেছি ওই ট্রলারে থাকা পাঁচ জেলে বেঁচে নেই।