অডিওটিতে কলেজের সমাজকর্ম বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ফরহাদ মাহমুদ তালুকদার ও এক শিক্ষার্থীর কথোপকথন রয়েছে বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করা হচ্ছে। কথোপকথনকে কেন্দ্র করে শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ উঠলেও অডিওটির সত্যতা, কণ্ঠস্বরের পরিচয় এবং কথোপকথনটি সম্পাদিত বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি কি না এসব এখনো স্বাধীনভাবে যাচাই হয়নি।
অভিযোগ অস্বীকার করে শিক্ষক ফরহাদ মাহমুদ তালুকদার দাবি করেছেন, অডিওটি তার কণ্ঠে তৈরি নয়; তাকে হেয় করতে এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে এটি বানানো হয়েছে। অডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় চারজনের নাম উল্লেখ করে তিনি শ্রীপুর থানায় লিখিত অভিযোগও করেছেন।
.png)
অন্যদিকে, অডিওটি কলেজ কর্তৃপক্ষের নজরে আসার পর বিষয়টি তদন্তের আওতায় নেওয়া হয়েছে।
অধ্যক্ষ জানিয়েছেন, ওই শিক্ষককে ঘিরে আগে থেকেই একটি অভ্যন্তরীণ তদন্ত কমিটি ছিল; ভাইরাল অডিওর বিষয়টিও সেই তদন্তে যুক্ত করা হয়েছে। তবে অডিওতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থী বা তার পরিবারের পক্ষ থেকে কলেজে কোনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি।
এখন প্রশ্ন উঠেছে অডিওটি আদৌ আসল কি না, নাকি কৃত্রিমভাবে তৈরি বা সম্পাদিত। একই সঙ্গে অডিওটির উৎস, ছড়িয়ে দেওয়ার সঙ্গে কারা জড়িত, কথোপকথনের পূর্ণ প্রেক্ষাপট এবং অভিযোগের পেছনে কোনো বাস্তব ঘটনা রয়েছে কি না এসব বিষয়ও তদন্তে পরিষ্কার হওয়ার অপেক্ষায়।