রোববার (৩০ আগস্ট) দুপুরে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহীনুর আলম।
তিনি জানান, শনিবার (২৯ আগস্ট) রাতে সালমা মোস্তারী নামের এক নারী বাদী হয়ে মামলাটি করেন। মামলার কোনো আসামিকে এখনো গ্রেপ্তার করা হয়নি।
.png)
মামলার এজাহার ও বাদীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শনিবার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে গাজীপুর সাফারি পার্কে বেড়াতে যান সালমা মোস্তারী। পর্যটন বাসে ওঠার সময় গাড়ির ভেতরে ময়লা-আবর্জনা দেখতে পেয়ে তিনি বিষয়টি পার্কের কর্মীদের জানান। এ নিয়ে কর্মীদের সঙ্গে তার কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তাঁদের বহনকারী বাসটি নির্ধারিত স্থানে না থামিয়ে পার্কের অফিসে নিয়ে যাওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন সালমা।
সালমার অভিযোগ, পার্ক অফিসে নেওয়ার পর তাকে, তার দুই ছেলে মো. জারিফ ও মো. মাহিন এবং গাড়িচালক মো. রাসেলকে মারধর করা হয়। এ সময় তার স্বর্ণের চেইন ও ব্যাগে থাকা টাকা নিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি তার ও দুই ছেলের মুঠোফোন ভাঙচুর করা হয়। পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করলে শ্রীপুর থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের উদ্ধার করে।
তবে বন বিভাগের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, ওই পর্যটক ও তাদের সঙ্গে থাকা ব্যক্তিরা পার্কের কর্মী মো. মুমিনকে মারধর করেছেন। আহত মুমিনকে শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা এম. কে. এম ইকবাল হোছাইন চৌধুরী বলেন, এ ঘটনায় পার্কের আউটসোর্সিং কর্মী মো. ফরহাদকে বরখাস্ত করা হয়েছে। অপর এক কর্মী পর্যটকদের হামলায় আহত হয়েছেন। আমরাও আইনগত পদক্ষেপ নেব। সেই প্রক্রিয়া চলমান আছে।
শ্রীপুর থানার ওসি মোহাম্মদ শাহীনুর আলম বলেন, মামলা হয়েছে। এখনো কোনো আসামি গ্রেপ্তার হয়নি। মামলার প্রেক্ষিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।