গ্রেপ্তাররা হলেন ইসলামপুর উপজেলার আগুনেরচর গ্রামের জালাল মিয়া (৪২), নূর ইসলাম (৩২) ও মোজাম্মেল হক (৪৮)।
সিআইডি সূত্র জানায়, ২০১৮ সালের ২ জুলাই বকশীগঞ্জ বাজারে যাওয়ার কথা বলে মোটরসাইকেল নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন আবু বকর। রাতে বাড়ি না ফেরায় স্বজনরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে ইসলামপুরের চুংরাপাড়া গ্রামের পুবেরবন্দ এলাকায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
.png)
তদন্তে জানা যায়, মোটরসাইকেল ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে একটি সংঘবদ্ধ চক্র তাকে কৌশলে ঘটনাস্থলে নিয়ে গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে ইসলামপুর থানায় হত্যা মামলা করেন।
২০২০ সালের ১৯ আগস্ট মামলাটির তদন্তভার নেয় সিআইডি। তদন্তের একপর্যায়ে সিসি ক্যামেরার ফুটেজ থেকে তিন সন্দেহভাজনের ছবি সংগ্রহ করা হয়। তাদের পরিচয় শনাক্তে জামালপুরসহ আশপাশের এলাকায় প্রায় ৫ হাজার পোস্টার লাগানো এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি প্রচার করে তথ্যদাতার জন্য এক লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করা হয়।
পরে গোয়েন্দা তথ্য ও প্রযুক্তির সহায়তায় আসামিদের শনাক্ত করে সিআইডি। গত ২৬ আগস্ট ইসলামপুরের নাপিতের চর থেকে জালাল মিয়াকে এবং ২৭ আগস্ট গাজীপুরের টঙ্গী ও কলেজ রোড এলাকা থেকে নূর ইসলাম ও মোজাম্মেল হককে গ্রেপ্তার করা হয়।
সিআইডি জানায়, গ্রেপ্তারদের মধ্যে দুজন আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ছিনিয়ে নেওয়া মোটরসাইকেল উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। হত্যাকাণ্ডে আরও কেউ জড়িত থাকলে তাদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।