পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ আগস্ট গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঢাকার র্যাব সদস্যরা অভিযান চালিয়ে রাকিব মাতাব্বরকে গ্রেফতার করেন। পরে চরফ্যাশন থানা পুলিশের একটি দল তাকে থানায় নিয়ে আসে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হলে আদালত তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বাবা মো. আলমগীর বাদী হয়ে চরফ্যাশন থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। মামলাটি গত ২২ মে ২০২৬ তারিখে দায়ের করা হয় (মামলা নং-২৬)।
.png)
এজাহারে অভিযোগ করা হয়, রাকিব মাতাব্বর দীর্ঘদিন ধরে ওই শিক্ষার্থীকে স্কুলে যাওয়া-আসার পথে প্রেমের প্রস্তাবসহ বিভিন্নভাবে উত্ত্যক্ত করে আসছিলেন। গত ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে জন্মদিনের অনুষ্ঠানের কথা বলে তাকে চরফ্যাশন বাজারের একটি আবাসিক হোটেলের ৪০৩ নম্বর কক্ষে নিয়ে যান রাকিব। সেখানে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করা হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরবর্তীতে গত ২২ মে রাত আনুমানিক ১২টার দিকে রাকিব কৌশলে বাদীর বসতঘরে প্রবেশ করে ওই শিক্ষার্থীকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ করা হয়। এ সময় ভুক্তভোগীর মা বিষয়টি টের পেয়ে চিৎকার করলে রাকিব ধস্তাধস্তি করে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ রয়েছে।
চরফ্যাশন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. খলিলুর রহমান বলেন, ঘটনার পর থেকে মামলার আসামি রাকিব মাতাব্বর পলাতক ছিলেন। সম্প্রতি ঢাকার র্যাব সদস্যরা তাকে আটক করার পর চরফ্যাশন থানা পুলিশ তাকে নিয়ে আসে। পরে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।