মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, রাজারহাট উপজেলার ছিনাই ইউনিয়নের জয়কুমার গ্রামের আবু তাহের সিদ্দিকীর সঙ্গে ভূরুঙ্গামারী উপজেলার জয়মনিরহাট ইউনিয়নের বড় খাটামারী গ্রামের কছির উদ্দিনের মেয়ে শামিমা নাসরিনের ২০২৫ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে আবু তাহের তাঁর কাছে পাঁচ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে আসছেন বলে অভিযোগ করেন শামিমা।
মামলার এজাহারে বলা হয়, যৌতুকের দাবিকৃত টাকা না দেওয়ায় শামিমাকে বিভিন্ন সময় শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হয়েছে। গত ২২ জুলাই তাঁকে মাথায় আঘাত করা হলে আঘাতটি তাঁর চোখে লাগে। পরে আবু তাহের, লাইলী বেগম, বিজলী খাতুন ও মিলন মিয়া তাঁকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা করেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে। স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে ভূরুঙ্গামারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
.png)
এ ঘটনায় গত ১ সেপ্টেম্বর শামিমা নাসরিন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনসহ দণ্ডবিধির ৩০, ৩০৭ ও ১১৪ ধারায় মামলা করেন। পরে পুলিশ আবু তাহেরকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়।
আবু তাহের রাজারহাট উপজেলার চান্দামারী (ডিগ্রি) ফাজিল মাদ্রাসায় আরবি প্রভাষক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।
শামিমা নাসরিন বলেন, ‘আমি বাবার বাড়িতে থাকা অবস্থায় আমার স্বামী আমাকে তালাকের নোটিশ পাঠিয়েছেন। আমি বারবার তাঁর সংসার করতে চাইলেও তিনি আমাকে নিয়ে যাননি। আমার চার মাস বয়সী একটি কন্যাসন্তান রয়েছে।’
কুড়িগ্রাম সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুনুর রশিদ বলেন, ‘নারী ও শিশু নির্যাতনসহ আরও কয়েকটি অভিযোগে মামলা হয়েছে। আমরা তাঁকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছি এবং আদালতে পাঠানো হয়েছে।’