স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাতে খাবারের সন্ধানে অজগরটি লোকালয়ে ঢুকে নীলডুমুর এলাকার মুক্তার গাজীর মুরগির ঘরে আশ্রয় নেয়। সেখানে থাকা হাঁস-মুরগির ওপর আক্রমণ করে অজগরটি ছয়টি হাঁস-মুরগি খেয়ে ফেলে বলে জানান বাড়ির মালিক।
বুধবার সকাল ৯টার দিকে মুরগির ঘর থেকে হাঁস-মুরগি বের না হওয়ায় সন্দেহ হয় মুক্তার গাজীর। পরে টর্চের আলো জ্বালিয়ে ঘরের ভেতরে তাকিয়ে তিনি বড় আকৃতির অজগরটি দেখতে পান। বিষয়টি সঙ্গে সঙ্গে বন বিভাগ ও সিপিজির সদস্যদের জানান তিনি।
.png)
মুক্তার গাজী বলেন, ‘রাতে আমার মুরগির ঘরে অজগরটি ঢুকে পড়ে। সকালে দেখি মুরগিগুলো ঘর থেকে বের হচ্ছে না। পরে টর্চ জ্বালিয়ে ভেতরে তাকিয়ে বিশাল আকৃতির একটি অজগর দেখতে পাই। এরপর বন বিভাগ ও সিপিজির সদস্যদের খবর দিই।’
খবর পেয়ে বন বিভাগের সদস্য ও সিপিজির একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে দীর্ঘ সময় চেষ্টা চালিয়ে অজগরটিকে নিরাপদে উদ্ধার করে। পরে বন বিভাগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অজগরটিকে সুন্দরবনের কলাগাছিয়া এলাকার কাছাকাছি বনের ভেতরে নিরাপদ পরিবেশে অবমুক্ত করা হয়।
বুড়িগোয়ালিনী ফরেস্ট স্টেশনের স্টেশন কর্মকর্তা এরফান উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, খাদ্যের সন্ধান কিংবা প্রাকৃতিক পরিবেশের পরিবর্তনের কারণে কখনো কখনো বন্যপ্রাণী লোকালয়ের কাছাকাছি চলে আসে। এ ধরনের বন্যপ্রাণী দেখা গেলে আতঙ্কিত না হয়ে বন বিভাগকে খবর দেওয়ার জন্য স্থানীয়দের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।