ভোলায় এনসিপির কমিটি ঘোষণা, সাংগঠনিক সম্পাদকের পদত্যাগ
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ভোলা জেলার আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণার পরপরই সাংগঠনিক সম্পাদক পদ থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন রশিদ আহম্মেদ। ব্যক্তিগত ও সাংগঠনিক কারণ দেখিয়ে তিনি এ পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন।
বুধবার সন্ধ্যায় এনসিপির কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব বরাবর দেওয়া পদত্যাগপত্রে রশিদ আহম্মেদ বলেন, ভোলা জেলা আহ্বায়ক কমিটিতে সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়ায় তিনি কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাচ্ছেন। দলের প্রতি আস্থা ও ভালোবাসা থেকেই অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন। তবে ব্যক্তিগত ও সাংগঠনিক কিছু কারণে বর্তমানে ওই দায়িত্ব পালন করা তার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। তাই স্বেচ্ছায় ও সজ্ঞানে ভোলা জেলা আহ্বায়ক কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক পদ থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।
পদত্যাগপত্রে রশিদ আহম্মেদ আরও উল্লেখ করেন, দলের প্রতি তার শ্রদ্ধা, শুভকামনা ও আন্তরিকতা সব সময় অটুট থাকবে। দায়িত্ব পালনকালে কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ, সহযোদ্ধা ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছ থেকে পাওয়া সহযোগিতা ও ভালোবাসার জন্য তিনি কৃতজ্ঞ।
.png)
এ বিষয়ে এনসিপির নবগঠিত ভোলা জেলা আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব শরীফ হাওলাদার সাগর বলেন, দল থেকে কিংবা কমিটি থেকে পদত্যাগ করা প্রত্যেকের ব্যক্তিগত স্বাধীনতা। এখানে হস্তক্ষেপ করার অধিকার কারও নেই। রশিদ আহম্মেদ সাংগঠনিক সম্পাদক পদ থেকে পদত্যাগ করতেই পারেন। এটা তার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। তবে তিনি দলের সঙ্গে আছেন। ব্যক্তিগত কারণে হয়তো পদে থাকতে চাচ্ছেন না। আমরা এনসিপির সদস্যরা তার ব্যক্তিগত মতামতকে সম্মান করি।
তিনি আরও বলেন, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে এনসিপির ভোলা জেলা কমিটি পূর্ণাঙ্গ করা হবে। পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের সময় সাংগঠনিক সম্পাদক পদে রশিদ আহম্মেদকে রাখা হবে কি না, সে বিষয়ে তখন সাংগঠনিকভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এ কারণে তার পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়টিও কিছুটা সময় নিয়ে করা হয়েছে।