ঢাকা,  রোববার   ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩

[ দেশজুড়ে ]

তজুমদ্দিনে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ শিকার, ১৮ জেলের কারাদণ্ড

তজুমদ্দিন (ভোলা) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৪:১৯, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
তজুমদ্দিনে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ শিকার, ১৮ জেলের কারাদণ্ড
তজুমদ্দিনে মাছ শিকারের দায়ে দণ্ডপ্রাপ্ত জেলেরা। ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলায় মা ইলিশ সংরক্ষণে ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে পরিচালিত অভিযানে ২১ জেলেকে আটক করেছে উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগ। এ সময় তিনটি মাছ ধরার ট্রলার ও জাল জব্দ করা হয়। পরে আটক জেলেদের মধ্যে ১৮ জনকে সাত দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বাকি তিনজন অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় পরিবারের মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

শনিবার রাতে উপজেলার মহিষখালী মাছঘাটসংলগ্ন মেঘনা নদীতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। তজুমদ্দিন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. বনি আমিনের নেতৃত্বে উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগের একটি দল এ অভিযান চালায়। এ সময় নদীতে মাছ ধরারত অবস্থায় ২১ জেলেকে আটক করা হয়। জব্দ করা জাল শশীগঞ্জ মৎস্যঘাটে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। তিনটি ট্রলার মৎস্য অফিসের হেফাজতে রাখা হয়েছে।

পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. বনি আমিন আটক জেলেদের মধ্যে ১৮ জনকে সাত দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন। অপ্রাপ্তবয়স্ক তিনজনকে পরিবারের মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।

কারাদণ্ডপ্রাপ্ত জেলেরা হলেন- মো. শিপন (৩২), মো. সজিব (১৯), মো. কাশেম (৩৩), মো. ফয়সাল (২৫), মো. সোহাগ (২৫), নুর ইসলাম (২৫), আকবর (২০), মো. রাশেদ (২ে০), মনির (২৮), মো. আইয়ুব (২৮), ইব্রাহীম মাঝি (৫২), মো. রফিক (৪০), মো. শরীফ (২৮), মো. হাফিজ (৩৪), মো. মাকসুদ (৪৮), মো. শাহাদাত (২০), মো. ফারুক (৬৫) ও মো. কামাল (৬২)। এসব জেলেদের বাড়ি তজুমদ্দিন উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বলে জানা গেছে।

অভিযান প্রসঙ্গে তজুমদ্দিন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. বনি আমিন বলেন, মেঘনা নদীতে অভিযান অব্যাহত থাকবে। নিষেধাজ্ঞার ২২ দিনে কেউ সরকারি আইন লঙ্ঘন করলে মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে কাউকে বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়া হবে না।

ডেইলি-বাংলাদেশ/ভোলা/জেডআই
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!