ঢাকা,  সোমবার   ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩

[ দেশজুড়ে ]

দৌলতখানে জেলেকে ‘মৃত’ দেখাতে নারাজ, গ্রাম পুলিশকে পিটিয়ে জখম

দৌলতখান (ভোলা) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৯:৫৭, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
দৌলতখানে জেলেকে ‘মৃত’ দেখাতে নারাজ, গ্রাম পুলিশকে পিটিয়ে জখম
দৌলতখান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আহত গ্রাম পুলিশ সাদ্দাম হোসেন। ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ভোলার দৌলতখান উপজেলায় জীবিত এক জেলেকে মৃত দেখাতে রাজি না হওয়ায় সাদ্দাম হোসেন (৩০) নামে এক গ্রাম পুলিশকে মারধর করে মাথা ফাটিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে মনির হোসেন নামে অপর এক গ্রাম পুলিশের বিরুদ্ধে। আহত সাদ্দাম বর্তমানে দৌলতখান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় এলাকায় ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

রোববার দৌলতখান উপজেলার চরখলিফা ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে। আহত সাদ্দাম হোসেন চরখলিফা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত আব্দুল খালেক চৌকিদারের ছেলে।

আহত সাদ্দামের অভিযোগ, জীবিত এক জেলেকে মৃত হিসেবে উল্লেখ করতে রাজি না হওয়ায় তার ওপর হামলা চালান মনির হোসেন। এ সময় তাকে মারধর করা হলে মাথায় গুরুতর আঘাত পান তিনি। পরে তার মাথায় একাধিক সেলাই দিতে হয়। বর্তমানে তিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

সাদ্দাম আরও অভিযোগ করেন, চরখলিফা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে জেলেদের জন্য বরাদ্দ করা চাল বস্তায় বস্তায় আত্মসাৎ করেন মনির হোসেন। এ-সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ করে দেওয়ার পর থেকেই তার সঙ্গে মনিরের বিরোধ চলছিল বলে দাবি করেন তিনি।

এদিকে, জীবিত ব্যক্তিকে মৃত হিসেবে দেখানোর অভিযোগ এবং সরকারি সহায়তার চাল আত্মসাতের অভিযোগকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। এসব অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ী ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে চরখলিফা ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম পুলিশ মনির হোসেন তার সঙ্গে সাদ্দামের কথা-কাটাকাটি হওয়ার কথা স্বীকার করেন। তবে তার বিরুদ্ধে আনা অন্যান্য অভিযোগের বিষয়ে তিনি স্পষ্ট কোনো বক্তব্য দেননি।

এ বিষয়ে দৌলতখান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল মতিন খান জানান, এ ঘটনায় অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/ভোলা
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!