এ সময় ২২ লাখ ১৯ হাজার শলাকা সিগারেট উদ্ধার করে চট্টগ্রাম কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। যার মূল্য ১ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। সিগারেটের চালানটি চট্টগ্রাম বন্দর থেকে খালাস হয়ে গেলে ৫ কোটি ৩০ লাখ টাকার রাজস্ব হারাতো সরকার।
বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের এআইআর শাখার ডেপুটি কমিশনার শরফুদ্দীন মিয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
.png)
কাস্টমস সূত্রে জানা যায়, কন্টেইনারে রক্ষিত ১ হাজার ১২০টি ফ্রেস আপেলের কার্টন শতভাগ কায়িক পরীক্ষা শেষে ৭৫৪টি কার্টনের মধ্যে আপেলের নিচে ইনার কার্টনে লুকায়িত অবস্থায় বিভিন্ন ব্রান্ডের বিদেশি সিগারেট পাওয়া যায়। এতে তিন ব্র্যান্ডের মোট ২২ লাখ ১৯ হাজার শলাকা সিগারেট রয়েছে।
এক হাজার ১২০টি ফ্রেস আপেলের চালানে ৩৬৬ কার্টনে শুধুই ফ্রেস আপেল পাওয়া গেছে। অবশিষ্ট ৭৫৪টি কার্টনের মধ্যে আপেলের নিচে লুকায়িত অবস্থায় সিগারেট পাওয়া যায়। ২২ লাখ ১৯ হাজার শলাকা সিগারেটের মধ্যে মন্ড ৬ লাখ ৯১ হাজার ৪৮০ শলাকা, ইজি ১৪ লাখ ৮ হাজার ৭২০ হাজার, ওরিস ১ লাখ ১৮ হাজার ৮০০ শলাকা রয়েছে, যার আনুমানিক মূল্য ১ কোটি ৩৭ লাখ টাকা।
চট্টগ্রাম কাস্টমসের উপকমিশনার মো. সালাহউদ্দিন রিজভী বলেন, অবৈধ উপায়ে সিগারেট এনে প্রায় ৫ কোটি ৩০ লাখ টাকার রাজস্ব ফাঁকি দেওয়ার চেষ্টা করেছে আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান। এ ব্যাপারে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।