সপ্তাহের পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে তিন দিনই ঢাকা স্টক এক্সচঞ্জে তিনশ কোটি টাকা লেনদেন হলো। এর মধ্যে সপ্তাহের শেষ কর্মদিবসে সূচক কিছুটা বাড়লেও লেনদেন নেমে এসেছে দেড় বছরের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বনিম্ন অবস্থানে।
এদিকে লেনদেন শুরুর আগে ৫ মিনিট প্রি ওপেনিং সেশনে কম দামে শেয়ার বসিয়ে আতঙ্ক তৈরি করা হচ্ছে, এমন মূল্যায়ন করে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি বৃহস্পতিবার থেকে এই সেশন বাতিল করে। এরপরও পাল্টায়নি পরিস্থিতি। সূচকের পতন ঠেকলেও লেনদেন নেমেছে তলানিতে।
.png)
বৃহস্পতিবার ৪৬টি কোম্পানির দর বৃদ্ধির বিপরীতে ২৮টির দরপতনের দিন ফ্লোর প্রাইসে হাতবদল হয়েছে ২২৬ কোম্পানির শেয়ার। লভ্যাংশ সংক্রান্ত রেকর্ড ডেটের কারণে এদিন স্থগিত ছিল ২১টি কোম্পানির লেনদেন। ফলে বাকি ৩৯০টি কোম্পানির মধ্যে ৬৯টির একটি শেয়ারও হাতবদল হয়নি।
সব মিলিয়ে লেনদেন হয়েছে ৩২৩ কোটি ৮০ লাখ ২৮ হাজার টাকা। চলতি বছর গত ১৯ জুলাই এর চেয়ে কম ৩১৯ কোটি ৩৫ লাখ ২ হাজার টাকা লেনদেন হয়েছিল।
এর দুইদিন আগে বিদুৎ সাশ্রয়ে সারাদেশে লোডশেডিং করার ঘোষণা আসে সংবাদ সম্মেলন করে। এরপর পুঁজিবাজারে আতঙ্ক দেখা দেয়। ফলে শেয়ারদর কমার পাশাপাশি কমছিল লেনদেন।
এর চেয়ে কম লেনদেন হয় ২০২১ সালের ৪ এপ্রিল। করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের সময় এর পরদিন থেকে চলাচলে বিধিনিষেধ বা লকডাউনেরও ঘোষণা ছিল। ২০২০ সালের ২৫ মার্চ থেকে এই বিধিনিষেধের মধ্যে পুঁজিবাজারে লেনদেন বন্ধ হয়ে যায়। সেবারও লেনদেন স্থগিত থাকবে, এমন আতঙ্কে বিধিনিষেধ শুরুর আগের দিন ব্যাপক দরপতনের পাশাপাশি লেনদেন নেমে আসে তলানিতে। হাতবদল হয় ২৩৬ কোটি ৬০ লাখ ৭৪ হাজার টাকার শেয়ার। তবে লকডাউনেও লেনদেন চলবে, এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসার পরদিন থেকেই ঘুরে দাাঁড়ায় বাজার।