প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) সূত্রে এ খবর জানা গেছে।
মূল্যসূচক ও লেনদেন বাড়লেও ডিএসইতে দাম বাড়ার তুলনায় দাম কমার তালিকায় বেশিসংখ্যক প্রতিষ্ঠান স্থান করে নিয়েছে। আবার দাম অপরিবর্তিত থাকা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যাও কম নয়।
.png)
বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, বৃহস্পতিবার ডিএসইতে লেনদেন শুরু হয় বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বাড়ার মাধ্যমে। এতে লেনদেনের শুরুতে ডিএসই’র প্রধান সূচক ৫ পয়েন্ট বেড়ে যায়। লেনদেনের শুরুতে দেখা দেওয়া এ ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা লেনদেনের শেষ পর্যন্ত অব্যাহত থাকে।
লেনদেন শেষে ডিএসইতে ৬০ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ১০৭টির। আর ১৮৭টির দাম অপরবর্তিত রয়েছে। এরপরও ডিএসই’র প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ১০ পয়েন্ট বেড়ে ৬ হাজার ২০৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
অপর দুই সূচকের মধ্যে বাছাই করা ভালো ৩০টি কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক আগের দিনের তুলনায় এক পয়েন্ট বেড়ে ২ হাজার ১৯৫ পয়েন্টে অবস্থান করছে। আর ডিএসই শরিয়াহ আগের দিনের তুলনায় ৩ পয়েন্ট বেড়ে এক হাজার ৩৫৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এর মাধ্যমে টানা দুই কার্যদিবস ঊর্ধ্বমুখী থাকলো শেয়ারবাজার।
সবকয়টি মূল্যসূচক বাড়ার পাশাপাশি ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণও বেড়েছে। ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৩৪৫ কোটি ৭১ লাখ টাকা। আগের দিন লেনদেন হয় ২৫৮ কোটি ২২ লাখ টাকা। সে হিসাবে লেনদেন বেড়েছে ৮৭ কোটি ৪৯ লাখ টাকা। এর মাধ্যমে চার কার্যদিবস পর ডিএসইতে তিনশ কোটি টাকার বেশি লেনদেন হলো।
ডিএসইতে টাকার অঙ্কে সব থেকে বেশি লেনদেন হয়েছে ইন্ট্রাকো রিফুয়েলিং স্টেশনের শেয়ার। কোম্পানিটির ১৭ কোটি ১৬ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা জেনেক্স ইনফোসিসের ১২ কোটি ৩২ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে। ১০ কোটি ৯৪ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনের মাধ্যমে তৃতীয় স্থানে রয়েছে ওরিয়ন ইনফিউশন।
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই বেড়েছে ৩৩ পয়েন্ট। বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ৩৪ কোটি ২ লাখ টাকা। লেনদেন অংশ নেয়া ১৫৮টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৩৬টির দাম বেড়েছে। দাম কমেছে ২৮টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৯৪টির দাম।