এখন সেদিকে নজর রাখছেন বিনিয়োগকারীরা। ফলে আপাতত ধাতুটিতে বিনিয়োগ কমিয়েছেন তারা। এতে সোনার দাম কমেছে।
চলমান সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে আন্তর্জাতিক স্পট মার্কেটে গুরুত্বপূর্ণ ধাতবটির মূল্য হ্রাস পেয়েছে শূন্য দশমিক ৩ শতাংশ। প্রতি আউন্সের দর স্থির হয়েছে ২০২৭ ডলার ৭৮ সেন্টে।
.png)
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ফিউচার মার্কেটে সোনার দরপতন ঘটেছে শূন্য দশমিক ৪ শতাংশ। আউন্সপ্রতি দাম নিষ্পত্তি হয়েছে ২০৩৫ ডলারে।
অর্থনীতিবিদদের ধারণা, গত এপ্রিলে বছরওয়ারি ভোক্তা মূল্য সূচক বৃদ্ধি পেতে পারে ৫ দশমিক ৫ শতাংশ। তবে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে থাকার সম্ভাবনা আছে।
জিওজিত ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের গবেষণা প্রধান হারিশ ভি বলেন, গত মাসে মূল্যস্ফীতি সহনীয় পর্যায়ে থাকতে পারে। এতে সুদের হার বাড়ানো বন্ধ করতে পারে ফেড। ফলে ডলারের অবমূল্যায়ন ঘটবে। তাতে সোনা আরো ঊর্ধ্বমুখী হবে।
সূত্র: রয়টার্স