গত সপ্তাহে বিশ্ববাজারে চিনির মূল্য ৬ দশমিক ২ শতাংশ কমেছিল। সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়িয়েছে ভোগ্যপণ্যটির বাজার।
আলোচ্য কার্যদিবসে আইসিইতে আগামী অক্টোবরের অপরিশোধিত চিনির দাম বৃদ্ধি পেয়েছে ২ দশমিক ৩ শতাংশ। প্রতি পাউন্ডের দর স্থির হয়েছে ২৩ দশমিক ৭৯ সেন্টে। আগের কর্মদিবসে যা ছিল ২৩ দশমিক ৬৩ সেন্টে।
.png)
একই কর্মদিবসে আগামী আগস্টে সাদা চিনির চুক্তি মূল্য বেড়েছে ১ দশমিক ৯ শতাংশ। প্রতি মেট্রিক টনের দাম নিষ্পত্তি হয়েছে ৬৬৯ ডলার ৮০ সেন্টে। আগের দিন যা ছিল ৬৫৮ ডলার ৮০ সেন্টে।
বিশ্বের শীর্ষ উৎপাদক ব্রাজিলে আখ মাড়াই বাড়ছে। স্বাভাবিকভাবেই আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহ বাড়াতে পারে তারা। মূল্য পুনরুদ্ধারের পরিসর যা সীমিত করে দিতে পারে। এতে লাভ কম হতে পারে।
এছাড়া মার্কিন ডলারের বিপরীতে ব্রাজিলিয়ান রিয়ালের মান কমেছে। চিনি বিক্রি করে দেশটির মুনাফা কমার অন্যতম কারণও এটি।
তবে এখন বৈশ্বিক বাজারে চিনির সরবরাহ কম। কারণ, বিশ্বের শীর্ষ উৎপাদন অঞ্চলগুলোতে চলতি অর্থবছরে উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে। ফলে সম্প্রতি চিনির দাম বাড়তি।
সূত্র: নাসডাক